ইরানে ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বিচারবিভাগের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাহমান চূবিয়াসলকে ‘ইরানে ইসরায়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তচর’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছিল। গত জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের পর এটিই ইরানের দশম ফাঁসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চূবিয়াসলকে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং সংবেদনশীল টেলিকমিউনিকেশন প্রকল্পে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। মিজান নিউজ জানায়, মোসাদের উদ্দেশ্য ছিল তার মাধ্যমে ইরানের সরকারি প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেসে প্রবেশ করা, ডেটা সেন্টারে নিরাপত্তার ফাঁক তৈরি করা এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম আমদানির পথ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা।
ইরানের সুপ্রিম কোর্ট অভিযুক্তের আপিল খারিজ করে ‘পৃথিবীতে দুর্নীতি’ ধারায় তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
এই মাসে এটি দ্বিতীয় ফাঁসি কার্যকর। এর আগে বাবাক শাহবাজি নামের আরেক ব্যক্তিকে একই অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, শাহবাজিকে জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের ছায়াযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের পর মোসাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাড়ছে। এর মাধ্যমে তেহরান নিজেদের নিরাপত্তা অবস্থান আরও কঠোরভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?