রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আমাদের সেনাবাহিনী অসহায়; যেখানেই পা রাখবেন সেখানেই সুড়ঙ্গ: ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষক

গাজা উপত্যকায় হামাসের প্রতিরোধ টানেল এবং গেরিলা কৌশল ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি সামরিক বিশ্লেষক আভি আশকেনাজি। তিনি এ লড়াইকে “চামচ দিয়ে সমুদ্র সেঁচার মতো” আখ্যা দিয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মা’আরিভ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশকেনাজি বলেন, “গাজায় যেখানেই আপনি পা রাখবেন, সেখানেই একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এখনও হাজার হাজার সুড়ঙ্গ চিহ্নিত […]

আমাদের সেনাবাহিনী অসহায়; যেখানেই পা রাখবেন সেখানেই সুড়ঙ্গ: ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষক

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:০৯

গাজা উপত্যকায় হামাসের প্রতিরোধ টানেল এবং গেরিলা কৌশল ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি সামরিক বিশ্লেষক আভি আশকেনাজি।

তিনি এ লড়াইকে

“চামচ দিয়ে সমুদ্র সেঁচার মতো” আখ্যা দিয়েছেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মা’আরিভ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশকেনাজি বলেন,

“গাজায় যেখানেই আপনি পা রাখবেন, সেখানেই একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এখনও হাজার হাজার সুড়ঙ্গ চিহ্নিত করা যায়নি।”

তিনি আরও জানান, “প্রাথমিক ধারণা ছিল হামাস দুর্বল হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও শক্তিশালী এবং সংগঠিত। দক্ষিণ গাজা, বিশেষত রাফাহ ও আল-মাওয়াসি এলাকায় টানেলের মাধ্যমে শত শত যোদ্ধা স্থানান্তর করা হয়েছে।”

সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে গাজার যুদ্ধকে তিনি ইসরাইলের জন্য “অত্যন্ত জটিল ও অবিরাম হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করেন। আশকেনাজি বলেন,

“হামাস যোদ্ধারা টানেল থেকে বের হয়ে গুলি চালিয়ে আবার অন্তর্হিত হয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনা দিনে একাধিকবার ঘটছে, যা সেনাদের সর্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে থাকার প্রয়োজন তৈরি করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—এটি কি সবসময় সম্ভব?”

এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর রেডিও এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজার যুদ্ধে সেনা সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ গাজার রাফাহ অঞ্চলে রিজার্ভ ব্রিগেড ২০৫ মোতায়েন রয়েছে, কিন্তু মাত্র ৬০ শতাংশ সৈন্যই সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। সেনা ঘাটতির কারণে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করতে পারছে না ইসরায়েলি বাহিনী।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ বাহিনীর অভাব শুধু সংখ্যাগত সমস্যা নয়, এটি মনোবল ও কৌশলগত দুর্বলতারও ইঙ্গিত দেয়। আশকেনাজি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী যদি বড় আকারে সৈন্য মোতায়েন করে, তাহলে হামাসের গেরিলা বাহিনী তাদের ওপর আরও প্রবল হামলা চালাতে পারে, যা ইসরায়েলি বন্দীদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

সম্প্রতি ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান’-এর এক প্রতিবেদনেও সেনাবাহিনীতে নতুন রিক্রুটের সংকট, রিজার্ভ সেনাদের অসন্তোষ এবং যুদ্ধ ক্লান্তির বাস্তবতা তুলে ধরা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার ভেতরে প্রতিরোধ টানেল ব্যবস্থাপনা শুধু হামাসের কৌশলগত শক্তির প্রতীক নয়, এটি ইসরাইলি প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতারও ব্যর্থতা নির্দেশ করে। দীর্ঘ সময় ধরেই এই টানেলগুলো ব্যবহার করে হামাস গোপনে অস্ত্র মজুদ, সৈন্য স্থানান্তর ও প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে আসছে, যা ইসরায়েলি সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, রাফাহ ও খান ইউনুস এলাকায় টানেলভিত্তিক হামলায় ইসরাইলি বাহিনীর মৃত্যুহার বাড়ছে। পাশাপাশি বন্দী ইসরায়েলি সেনাদের উদ্ধার না হওয়া, গাজায় স্থানীয় জনসমর্থন বৃদ্ধি পাওয়া এবং হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডের গতিশীলতা ইসরায়েলের জন্য দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ জয়ের কৌশলকে দুর্বল করে তুলছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ সত্ত্বেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান থেমে নেই। তবে মানবিক বিপর্যয়, ভেঙে পড়া অবকাঠামো এবং যুদ্ধজর্জর জনগণকে ঘিরে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে সামরিক বিশ্লেষকদের মত, যদি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তবে ইসরায়েল কেবল গাজায় নয়, বরং নিজের সামরিক ও রাজনৈতিক অভ্যন্তরেও গুরুতর চাপের মুখে পড়বে। আর হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক যতদিন সক্রিয় থাকবে, ততদিন ইসরায়েলের জয়ের কৌশল চূড়ান্তভাবে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৭১০

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৭১০

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৭১০

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৭১০