রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সিরিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার থাকছে ৫ বছর

সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) একটি অস্থায়ী সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পরিবর্তনকালীন শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এই সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হবে নতুন সিরিয়া। এর মাধ্যমে দেশটি আগের রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই অস্থায়ী সংবিধান […]

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সিরিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার থাকছে ৫ বছর

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২৫, ০৯:২৫

সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) একটি অস্থায়ী সংবিধানে স্বাক্ষর করেছেন, যা দেশটির পরিবর্তনকালীন শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে আগামী পাঁচ বছর কার্যকর থাকবে। এই সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হবে নতুন সিরিয়া। এর মাধ্যমে দেশটি আগের রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে একটি নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এই অস্থায়ী সংবিধান স্বাক্ষরের মাধ্যমে জানুয়ারিতে বাতিল হওয়া আগের সংবিধানের জায়গা নেবে। নতুন সংবিধান অনুসারে, সিরিয়ায় ইসলামি আইন (শরিয়াহ) হবে রাষ্ট্রের প্রধান আইনব্যবস্থা এবং ইসলাম হবে রাষ্ট্রধর্ম। দেশটির বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া ইসলামি বিধানের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। তবে সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতার বিষয়টি সংবিধানে কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

এর আগে, অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা জানিয়েছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। তার মতে, এই সময়ের মধ্যে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল করা এবং একটি কার্যকর সরকার গঠন করা জরুরি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সংবিধানের মাধ্যমে দেশটির শাসনব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট কাঠামো প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন ধরে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

সাংবিধানিক ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের সময় আহমেদ আল-শারা বলেন, “এটি সিরিয়ার জন্য একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা করবে বলে প্রত্যাশা করছি। এর মাধ্যমে আমরা নিপীড়নের পরিবর্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব।” তিনি আরও বলেন, নতুন সংবিধান সিরিয়ার জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের ভিত্তি স্থাপন করবে এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে।

অপরদিকে, সিরিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংবিধান স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ইসলামপন্থি দলগুলো আরও শক্তিশালী অবস্থানে আসবে এবং সিরিয়ার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারেই নতুন মোড় নিতে পারে। নতুন সংবিধানে রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলোর অবস্থান এবং তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ কতটুকু থাকবে, সে বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সিরিয়ার এই নতুন সংবিধান দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, পশ্চিমা বিশ্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য শক্তিগুলোর প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সিরিয়ার মিত্র রাষ্ট্রগুলো যেমন রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের প্রতিক্রিয়াও এই সংবিধানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

নতুন সংবিধানের ফলে সিরিয়ার জনগণের নাগরিক অধিকার এবং বাক স্বাধীনতার প্রশ্ন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসলামপন্থি শাসনব্যবস্থা চালু করা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের আশঙ্কা থেকে যায়, বিশেষ করে নারীদের অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হতে পারে।

এদিকে, দেশটির অভ্যন্তরীণ বিরোধী দলগুলো নতুন সংবিধানের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের মতে, সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি রোডম্যাপ থাকা প্রয়োজন, যাতে পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়। তবে সরকারপন্থি দলগুলো এই সংবিধানকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটিকে দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই সংবিধানের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং সরকার কীভাবে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে তার ওপর। নতুন সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা পর্যবেক্ষণ করবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।  এএফপি।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৬৭

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৬৭

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৬৭

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৬৬৭