বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন খবরে প্রকাশিত হয়েছে। হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপস্থিতিতে ট্রাম্প এই নতুন পরিকল্পনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “গাজা উপত্যকা […]

ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:১৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন খবরে প্রকাশিত হয়েছে। হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপস্থিতিতে ট্রাম্প এই নতুন পরিকল্পনার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “গাজা উপত্যকা ফিলিস্তিনিদের জন্য আর বসবাসের উপযোগী নয়, তাই তাদের জন্য আরও ভালো ও নিরাপদ একটি স্থান খুঁজতে হবে।”

পার্সটুডে জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান থেকে পরিষ্কার যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন যে গাজার ধ্বংসযজ্ঞ পুনর্গঠনের জন্য ফিলিস্তিনিদের মিশর ও জর্ডানে স্থানান্তরিত করা উচিত। তবে এবার তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে গাজার ওপর সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব দাবি করেছেন এবং ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এই ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ইসরাইলের দখলে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ট্রাম্প, যিনি একসময় ভবন নির্মাণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে মানবিকতার অজুহাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চাইছেন। তবে তিনি গাজার জনগণের মতামত নেওয়ার কোনো প্রয়োজন বোধ করছেন না। বরং তার প্রশাসন গাজার ২৫ লাখ অধিবাসীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, ৩০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত পশ্চিম তীরকে ১৯৪৮ সালে ইসরাইলের দখলকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার সম্ভাবনার কথাও ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। গাজা ও পশ্চিম তীরের জনগণের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়ার ওপর। তবে স্পষ্টতই, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের সর্বোচ্চ স্বার্থ নিশ্চিত করতে এবং ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী ভূমির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে হাতছাড়া করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

4o

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ইচ্ছা থেকে বোঝা যায়, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের চিন্তাভাবনা থেকে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন সরে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং এটাও বোঝা যায় তারা অবশিষ্ট ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলো দখল করবে।

অবশ্য, এখন পর্যন্ত সমস্ত আরব দেশ সর্বসম্মতভাবে ট্রাম্পের গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের মিশর এবং জর্ডানে স্থানান্তরিত করার ধারণার বিরোধিতা করেছে। তবে, এমন আশঙ্কাও করা হচ্ছে যে, ট্রাম্প আরব দেশগুলো বিশেষ করে মিশর ও জর্ডানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি হুমকির ভাষাও প্রয়োগ করবে। অন্য কথায়, যদি মার্কিন সেনাবাহিনীকে গাজায় পাঠানো হয় এবং এ অঞ্চলের উপর দখল দরিত্ব কায়েম করে এবং লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনিকে মিশরে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে কায়রো এ পদক্ষেপ ঠেকানোর সাহস পাবে না।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ৮০ বছর ধরে দখলদারিত্ব, যুদ্ধ এবং হত্যাযজ্ঞের মুখেও যে ফিলিস্তিনি জাতি তাদের ভূমি মুক্ত করার আদর্শ ত্যাগ করেনি, তারা চুপ থাকবে না এবং মার্কিন দখলদারিত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। অতএব, পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনিদের জন্য শান্তিপূর্ণ জীবন প্রদানে ট্রাম্পের দাবির বিপরীতে, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আসলে পশ্চিম এশীয় অঞ্চলে নতুন যুদ্ধের আগুন জ্বালাতে চাইছেন, যার আগুন কেবল এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই পোড়াবে না ইসরাইলকেও জ্বালিয়ে দেবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন লাখ লাখ ফিলিস্তিনির উপর অবিচার নির্যাতন দূর হবে এবং তারা তাদের স্বপ্নের দেশ অর্জন করবে, কেবল তখন ফিলিস্তিনের ভূমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রকৃতপক্ষে, গাজায় মার্কিন মালিকানার দাবী কিংবা পশ্চিম তীরের উপর ইসরাইলি সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে মূলত ফিলিস্তিন  ইস্যুকে চিরতরে মুছে ফেলার চক্রান্ত চলছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৫৮

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৫৮

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৫৮

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৫৮