শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

‘চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও ভারতকে দখল করতে দেওয়া হবে না’

ভারতের একটি মিডিয়ায় চট্টগ্রামকে ভারতের অংশে যুক্ত করার বিষয়ে এক সাংবাদিকের উপস্থাপন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বরগুনা ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ১৮:৫০

ভারতের একটি মিডিয়ায় চট্টগ্রামকে ভারতের অংশে যুক্ত করার বিষয়ে এক সাংবাদিকের উপস্থাপন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বরগুনা ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শুক্রবার দলটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহদপ্তর সম্পাদক ও সমন্বয়ক আব্দুস সাত্তার সুমন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ড. মাসুদ বলেছেন, ভারত বাংলাদেশে যে আধিপত্য বিস্তার করেছে সেটি ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে গত ৫ আগস্ট থেকে নিঃশেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশে আধিপত্য বিস্তারের আর কোনো সুযোগ ভারত পাবে না। ৫ আগস্ট এদেশের ছাত্র-জনতা শুধু ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেনি আধিপত্য গোষ্ঠীকেও নির্মূল করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, শহীদ মতিউর রহমান নিজামী বাংলাদেশের ভূ-খণ্ড নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার ঘোষণার পরেই ভারতের ইন্ধনে আওয়ামী লীগ শহীদ মাওলানা নিজামী সহ জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের আটক করে সাজানো মামলায় বিচারিক হত্যা করেছে। কারণ জামায়াত নেতারা বেঁচে থাকলে বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য করতে দেওয়া হবে না।

 

এ ছাড়া তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হয় না। জামায়াতে ইসলামীতে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অসংখ্য নেতারা রয়েছে। আওয়ামী লীগ একজনকে আটক করলে আরেকজন দায়িত্ব নিতে একদিনও দেরি হয়নি। ফলে জামায়াতে ইসলামী নিঃশেষ করা যায়নি। যারা আল্লাহর দ্বীন কায়েমের আন্দোলন করে। তাদের দুনিয়ার কোনো শক্তি নিঃশেষ করতে পারে না, পারবে না।

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, যারা দেশের জন্য উন্নয়ন করে তারা ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায় না। শেখ হাসিনা দেশের জন্য যতটা না উন্নয়ন করেছে তার চেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছে নিজের পরিবার ও দলের। শেখ হাসিনা নিজে প্রকাশ্যে বলেছে, ভারতকে আমি যা দিয়েছি ভারত কখনো তা ভুলতে পারবে না। এজন্যই শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যান। তিনি যাদের পাকিস্তান চলে যেতে বলেছেন, তারা কেউ পাকিস্তান যায়নি। কিন্তু তিনি ঠিকই ভারত চলে গেছেন।

পাশাপাশি তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক গৌড় ভারতে। সেজন্যই তারা বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের কল্যাণে বেশি কাজ করে এবং করেছে। এজন্যই জনগণ তাদের ভারত পাঠিয়ে দিয়েছে। এবার ছাত্র-জনতার প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গঠন করতে হবে।

ব্যক্তির চিন্তা চেতনায় সংস্কার করা হলে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না উল্লেখ করে ড. মাসুদ বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর বিধান কোরআনের আলোকে সংস্কার করতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলেই শান্তি আসবে। ইসলাম ব্যতিত কোনো মতবাদে শান্তি নাই, শান্তি আসবে না। তাই ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনে শামিল হতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

বরগুনা ফোরামের সভাপতি ডা. সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরগুনা জেলা আমির মাওলানা মহিব্বুল্লাহ হারুন ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বরগুনা জেলা সভাপতি সুমন আব্দুল্লাহ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বরগুনা ফোরামের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পেশাজীবী শাখার সাবেক সাথী ও সদস্যদের কর্মশালায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আধিপত্যবাদ-সাম্রাজ্যবাদের ওপর ভর করে আর কাউকে জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।

৫ আগস্টের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আধিপত্যবাদ-সাম্রাজ্যবাদের কবর রচনা হয়েছে উল্লেখ করে ড. মাসুদ বলেন, আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নাকি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে আবার বাংলাদেশে পাঠাবে! আমেরিকা গণতন্ত্রের চর্চা করে এবং আমেরিকা বিশ্বাস করে জনগণের সরকার জনগণই নির্বাচন করবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের চর্চা করে না, গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না। তারা যখনই ক্ষমতা দখল করেছে বিদেশি পরাশক্তির ওপর ভর করে ক্ষমতা দখল করেছে। আবার তারা ক্ষমতা হারিয়ে তাদের আপন ঠিকানা ভারতে পালিয়ে গেছে।

ড. মাসুদ নতুন বাংলাদেশ গড়তে উপস্থিত সাবেক সাথী ও সদস্যদের শপথবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৩৬

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৩৬

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৩৬

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৫৯