বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

আসিফ নজরুলকে হেনস্থাকারী কাউকে ছাড়া হবে না: প্রিন্স মাহমুদ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনে যান। সেখানে […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৩:০২

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনে যান। সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মীদের হাতে হেনস্তার শিকার হন এ আইন উপদেষ্টা।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) রাতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ১ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একদল আওয়ামী লীগের সমর্থক ঘিরে ধরেছেন আসিফ নজরুলকে। তার সঙ্গে উত্তেজিত ভাষায় তর্ক করছেন তারা। বারবার প্রশ্ন করছেন— ‘আপনি মিথ্যা বলেছেন।’ হেনস্তার শিকার হোন আইন উপদেষ্টা। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি বলেছেন, সুইজারল্যান্ডে আসিফ নজরুলকে হেনস্তাকারী কাউকে ছাড়া হবে না। একই কথা বলেছেন আরেক গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলী।

প্রিন্স মাহমুদ বলেন, আসিফ নজরুল ভাইকে এয়ারপোর্টে হেনস্তাকারী কাউকে ছাড়া হবে না । প্রবাসী যারা সুইজারল্যান্ডে আছেন, তাদের খুঁজে বের করুন। এদের নাম-ঠিকানা ও পরিচয় প্রকাশ করুন। বাংলাদেশে কোথায় এই গণহত্যাকারীর দোসররা থাকেন ঠিকানা বের করুন।

তিনি বলেন, আসিফ ভাই চাইলে আগের আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মতো দেশের টাকা লুটপাট করে ১০০ জনের লট বহর নিয়ে বিদেশে সফর করতে পারতেন, কিন্তু সেটি না করে তার মতো একজন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সাধারণ সিটিজেনদের মতো একা বিদেশ সফর করে উদাহরণ সৃষ্টি করলেন।

জনপ্রিয় এ সুরকার বলেন, আসিফ ভাইকে একা পেয়ে আওয়ামী কাপুরুষরা যা করেছে, তাদের নিশ্চয়ই মনে আছে— তাদের খুনি নেত্রী বিদেশ সফরে গেলে জনতার প্রতিবাদের ভয়ে শত দেহরক্ষী ও স্তাবক চামচা পরিবেষ্টিত হয়েও হোটেলের পেছনের দরজা দিয়ে চলাফেরা করতে হতো। আসিফ নজরুল ভাই, ভালো মানুষদের এমনই হয়।

প্রিন্স মাহমুদ বলেন, আপনি এভাবেই বিদেশ সফর করবেন, আর মনে রাখবেন— আপনি একা না, কিছু আওয়ামী দুর্বৃত্ত ছাড়া পুরো দেশ দাঁড়িয়ে আছে আপনার পাশে। তিনি বলেন, গণহত্যাকারী স্বৈরাচারী বরাহ শাবকদের কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এদের প্রতি দরদ দেখাবেন, এদের নিকটজনরা দেশের বাইরে এ রকম আচরণ করতে থাকবে। স্বৈরাচারের দোসরদের ছাড় দেওয়ার ওসিয়ত নামাটা পাওয়া গেল।

এদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশন সূত্রে জানা যায়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডি এবং সংস্থাটির গুরত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দেশে ফিরছিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। দূতাবাসের প্রটোকলে তিনি গাড়ি করে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এ সময় দূতাবাসের প্রটোকল আইন উপদেষ্টার সঙ্গে ছিল। গাড়ি বিমানবন্দরে নামার পর একদল লোক এসে আইন উপদেষ্টাকে ঘিরে ধরেন। উপদেষ্টা জেনেভা বিমানবন্দরে প্রবেশের আগ পর্যন্ত হেনস্তাকারী তাকে বিরক্ত করেছেন।

সুইজারল্যান্ডের বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিমানবন্দরে আইন উপদেষ্টাকে হেনস্তাকারীরা আওয়ামী লীগের সমর্থক। সেখানে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম জমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আইএলওর গভর্নিং বডির বৈঠকে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ছাড়াও শ্রম উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীও অংশ নেন।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘যদি মৃত্যুও হয় তবে সেটা শহিদি মৃত্যু হবে, আমি পাত্তা দেই না হুমকি ধামকিকে’ : চমক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও। তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি। অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৯

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়ার ঝড় ওঠে। সেই তালিকায় ছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও।

তবে হাদির সুস্থতা কামনা ও হামলার নিন্দা জানিয়ে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে এবার হত্যার হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি।

অভিনেত্রী চমক জানান, একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন আহত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক অবস্থান প্রকাশ করাই যদি অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেটি সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর ইঙ্গিত।

হুমকির পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চমক লেখেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। একজন গুরুতর হামলার শিকার মানুষের সুস্থতা কামনা করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য। তার ভাষায়, “একজন মানুষ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। তার জন্য দোয়া করাটাই যদি কারও কাছে অপরাধ মনে হয়, তাহলে সেটা দুঃখজনক।”

এ ধরনের হুমকি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আতঙ্কিত করলেও ন্যায়ের জায়গা থেকে সরে আসবেন না বলে স্পষ্ট অবস্থান জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, আর ভয় দেখিয়ে এই স্বাধীনতা দমন করা যায় না।

শুধু লিখিত বক্তব্য নয়, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন চমক। সেখানে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “যদি মৃত্যুও হয়, তবে সেটা হবে শহিদি মৃত্যু। আমি হুমকি-ধামকিকে পাত্তা দিই না।”

চমকের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি চান, দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে যারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে। শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানালেও সেই মানবিক অবস্থান প্রকাশের পরই অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক এই হুমকির মুখে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।