মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ঢাকায় লাখ লাখ নেতাকর্মীর উপস্থিতি ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফিরতে যাচ্ছেন—এটি বিএনপির জন্য এক ঐতিহাসিক অধ্যায়।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সভার পর শহীদ ওসমান হাদীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মীর সরফত আলী সপু বলেন, “এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সফল করতে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ঘটনা শুধু একটি দলের নয়, গোটা জাতির জন্য শোকাবহ।” রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষিত শোকের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি শহীদ ওসমান হাদীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রস্তুতি সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আলহাজ্ব মমিন আলী, আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, দেলোয়ার হোসেন ও জসিম মোল্লা, শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম,
সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন মোল্লা, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স নাদিম, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ হোসেন ফাহাদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
সভায় নেতারা বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।