বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

মোঃরবিউল আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউপির বুড়িরপাড় গ্রামের আওয়ামী লীগের আবুলকালাম আজাদের সহচর কুখ্যাত সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা, তানজিল নেয়ামতগংদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজপথে নেমেছেন বুড়িরপার গ্রামের ঈঁদগাহ বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগন। কুমিল্লর দেবিদ্বার উপজেলার বুড়িরপাড় ঈঁদগা সংলগ্ন দেবিদ্বার আঞ্চলিক সড়কে শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী […]

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৪, ২০:৩০

মোঃরবিউল আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুবিল ইউপির বুড়িরপাড় গ্রামের আওয়ামী লীগের আবুলকালাম আজাদের সহচর কুখ্যাত সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা, তানজিল নেয়ামতগংদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজপথে নেমেছেন বুড়িরপার গ্রামের ঈঁদগাহ বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগন।

কুমিল্লর দেবিদ্বার উপজেলার বুড়িরপাড় ঈঁদগা সংলগ্ন দেবিদ্বার আঞ্চলিক সড়কে শনিবার সকালে বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী ও সাধারন জনগন সন্ত্রাসী কথিত ডাক্তার মোস্তফা ও তানজিল গংদের হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে, পরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুখ্যাত আওয়ামী সন্ত্রাসী সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের অন্যতম সহচর দ্বারা স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লুটতরাজ হামলা মামলার শিকার।

বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। এ সময় বিক্ষোভ মিছিল মুহুর্মুহু শ্লোগানে পুরো এলাকায় প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিলকারীরা চাঁদাবাজ ও হামলা মিথ্যামামলা, লুটপাটকারীদের হুঁশিয়ার ও গ্রেফতারের দাবিতে শ্লোগান দেন। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপও কামনা করেন

এসময় স্থানীয় সকল শ্রেণী পেশার মানুষ বলেন ফ্যাসীবাদী সরকারের সহচর সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের পালিত সন্ত্রাসীদের অত্যাচার থেকে ৫০ বছর পূর্বের নির্মিত ঈঁদগাহ দখলের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এসময় ভুক্তভোগী রা জানায় সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে রাজি না হওয়া ব্যবসায়ী সততা সেনিটারি মার্ট এর স্বতাধিকার মো মোশাররফ হোসেন সহ অন্যান্য দের উপর অত্যাচার বাড়িয়ে দেয়।

এব্যাপারে মোশাররফ হোসেন বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনের পরবর্তী সময় থেকে এপর্যন্ত আমার কাছে সন্ত্রাসীরা ৫ লক্ষ টাকা চাদা দাবি করে আমি তাদেরকে বলি আমার তো এতো টাকা দেওয়ার মতো সামর্থ নাই, এই কথা বলাতে তারা গত রবিবার সকালে আমার দোকানের সমস্ত মালামাল ভাংচুর করে এবং লুটতরাজ করে। এসময় স্থানীয় এবং আমার স্বজনেরা প্রতিবাদ করতে আসলে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে,

আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে, আমি আমাদের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসীদের বিচার এবং শাস্তি দাবি করছি। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ শেষে ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের বলেন তাদের হুমকিতে ব্যবসায়ীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামতে বাধ্য হয়েছেন। সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ অনেক ব্যবসায়ীরা এরই মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে মার্কেট ছেড়ে চলে গেছে।

বুড়িরপার ঈদগাহ বাজারের সভাপতি মো:আওয়াল সরকার বলেন বাজারের একটা কমিটি রয়েছে সেই কমিটির ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদেরকে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের সন্ত্রাসী বাহিনী লোক রয়েছে। এরা ব্যবসায়িদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করে, কিছু দিন আগে এক টায়ার দোকানীকে মারধর করে, আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি, আমরা এদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থেকে পরিত্রাণ চাই। বাজার সেক্রেটারি মো খোরশেদ আলম বলেন গত শনিবার সন্ধ্যায়

জসিমের সাথে ১০ টাকা নিয়ে ঝগড়া লেগে তাকে মারধর করে, পড়ে যাওয়ার সময় শোডাউন দিয়া যায় আর স্লোগান দিয়া কয় একজন একজন কইরা মারবি একটা কইরা মিস্টি খাইবি, এর পরের দিন সততা সেনিটারির মালিক মোশাররফের লগে ঝগড়া লাগলো, তার উপর হামলা করে তার ৫-৭ লাখ টাকার মালমাল ভেঙে ফেলেছে আমরা এসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। মানববন্ধনে উপস্থিত প্রবাসী মো:এরশাদ তিনি বলেন আমি দীর্ঘ

৩০ বছর যাবৎ প্রবাসে ছিলাম বর্তমানে দেশে আসার পরেও তাদের এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারনে আমরা বাড়িঘরে থাকতে পারিনা, তারা মানুষের দোকানপাট ভাংচুর করে, আমাদের লোক পাইলে মাইরধর করে,আমরা সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। মো:সালেহ আহম্মদ বলেন পূর্বেও তারা নির্বাচনী বিষয় নিয়ে নানজ রকম সন্ত্রাসী

কার্যকলাপ হরে আসতো, এখনো স্থানীয় লোকজন তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, গত রবিবারে পূর্বপাড়ার ব্যবসয়ী মোশাররফ মিয়ার দোকান ভাংচুর করে, লুটতরাজ করে, আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিচার চাই, স্থানীয় দোকানী মো রাসেল বলেন সন্ত্রাসীরা দোকান পাট ভাংচুর কইরা যায় আর জিগাইরা জিগাইরা যায় আর বলতাছে পূর্ব পাড়ার যারে পাবি তারেই পিডাবি। এ বিষয়ে বুধবার কুমিল্লা জজকোর্ট মোস্তফা ও তানজিল নেয়ামত গংদের বিরুদ্ধে

দ্রুত বচার আইনে মামলা হয়েছে। এব্যাপার দেবিদ্বার থানা ইনচার্জ খালেদ সাইফুল্লাহ জানান আমি এখনো কোন কিছু জানিনা,আমার কাছে আদালত থেকে যে নির্দেশ আসবে দেখে আইনগত ব্যাবস্থা নিবো।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।