তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) উপজেলা প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ৬নং ঢাকুয়া ইউনিয়নের ৩নং ব্লকের হরিয়াগাই বাজারে দক্ষিণের অংশের সড়কের হরিয়াগাই বাজার টু তারাকান্দা যাওয়ার
কোনাপাড়া নামক স্থানে গাছের ব্যপারি মন্নাছ মিয়া ও মজিবুর রহমানের বাড়ির সড়কের পশ্চিম পাশের হাসিম উদ্দিনের ধানখেতের পাশে একটি আকাশি গাছ রাতের আঁধারে নোনহালা গ্রামের চকবাড়ীর শফিকুল ইসলাম ও জালাল উদ্দীন চক্রের একটি সঙ্গবদ্ধ দল গাছটি কেটে পেলার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ উঠার পর হতে ক্ষমতা দাপটে ও প্রভাবশালীদের ছত্রছাঁয়ায় অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন এই সঙ্ঘবদ্ধ দলটি।
অতীতে এই সঙ্গের বহু অভিযোগ রয়েছে বলে দবি জানান শ্রমিকদল নেতা এমদাদ হোসেন।কোন ধরনের আইন শৃঙ্খলার নিয়মনীতি না মেনে প্রশাসকে পকেটে রেখে দিনের পর দিন এসব করে যাচ্ছেন রাতের আঁধারে এই সব সঙ্গবদ্ধ দলটি।
২০ সেপ্টেম্বর ( শনিবার) বেলা ১০টার পর হতে সরেজমিনে তদন্ত করে অবশেষে গাছটি সন্ধান মিলে।
বাড়ুইপাড়া গ্রামের ভ্যান চালক আজিজুল হকের তথ্য মতে স্থানীয় মাদ্রায় খুঁজ-খবর নিয়েও গাছটি পাওয়া যায় নি। পরে অনুসন্ধানে ৬নং ঢাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকরামুল হক তালুকদার জানান, আমি হাসিম মিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি বিষয়টি কারণ তার
জমির নিচে গাছটি কাটা হয়েছে। পরে আমি ঐ এলাকার চৌকিদার মতি লাল ও আমিনুল ইসলামের মাধ্যমে গাছের ডাল-পালা হরিয়াগাই ঈদগাহ মাঠে রাখতে বলি।
এদিকে হাসিম মিয়ার বাড়িতে সে গাছটি নিয়ে যায়।
শ্রমিকদল নেতা এমদাদ হোসেনের স্বীকার উক্তি মতে এই গাছটি কাটার ব্যপারে মন্নাছ, মজিবুর রহমান, ভ্যানচালক
আজিজুল ও বিশেষ করে নোনহালা গ্রামের চকবাড়ীর
শফিকুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন তারা সকলেই বিষয়টি জানেন। তবে গাছ কাটার জন্য শফিকুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন গাছ কাটার চক্রের সাথে জড়িত এমন অভিযোগ তুলেন।
এদিকে তদন্ত আরও নিখুঁত করতে ঐ ইউনিয়নের সচিব গৌতম সেন ও নায়েবের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ তুলেন নি। তাই বিষয়টি আমরা জানি না।
সরেজমিনে গাছটি সন্ধান পাওয়া গেলে তারাকান্দা উপজেলার ভূমি অফিসারকে গাছ কাটার ব্যপারে জানালে তিনি জানান এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার গেছে, আমরা এর আইনি ব্যবস্থা নিবো।
তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসন মহোদয় জাকির হোসেন জানান খুব দ্রুতই বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।