নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর, কৈলাটি ও পাশের উপজেলা দুর্গাপুরের চন্ডীগড় ইউনিয়ন ভেঙে আনন্দপুর মডেল ইউনিয়ন নামে পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় পরিকল্পনাকারী এমরান হোসেন এর ‘কুশপুত্তলিকা’ দাহ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। অবিলম্বে নতুন এ ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান তারা।
সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কয়েক শত মানুষ পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
আনন্দপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদ নামে নতুন ইউনিয়ন গঠনকারী এমরান হোসেন কলমাকান্দা উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।
এসময় বক্তব্য রাখেন, নাজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জমশেদ আলী, বিএনপি নেতা আলমাছ রেজা ও ইউনিয়ন যুবদল নেতা হারুন মন্ডল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আনন্দপুর মডেল ইউনিয়ন গঠনের জন্য কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর, কৈলাটি ও দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডীগড় ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠন করা হয়। স্থানীয় জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে ইউনিয়ন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে নাজিরপুর ইউনিয়নের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিক্ষোভে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইউনিয়ন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এমরান হোসেন কে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, এমরান হোসেন আওয়ামী লীগের দোসর। হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারেন না। এলাকাতেও আসতে পারেন না।
এখন বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করে এলাকায় দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া শিক্ষক। এ সুবাদে তিনি উন্নয়নের নামে এলাকায় বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।