বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শরীয়তপুর জাজিরা উত্তপ্ত হওয়ার নেপথ্যের কারন

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি: গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:০৯

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি:

গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক দেওয়া মামলার প্রধান বিলাশপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান, কুদ্দুস ব্যাপারি।বিলাশপুরের বিভিন্ন স্থান হতে আরো ৬ জনকে গ্রেপতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞ্যাত আরো ৫০০-১০০০ জনকে আসামি করে নিয়মিত মামলা করেন জাজিরা থানা পুলিশ।

সারাদিন আজো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পরার মতো।

এদের মধ্যে একজন রয়েছে মোটরসাইকেল চালনাকারী, যে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে, নাম মালেক চৌকিদার।তার পরিবার তাকে নির্দোশ দাবি করে।খবর নিয়ে এর সত্যতাও পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জাজিরা থানা হতে জানা যায় ডিবি তাকে গ্রেপতার করে থানায় সোপর্দ করে।আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই অভিযান করাহচ্ছে। অপরাধী না হলে জামিনে চলে আসবে।

উপজেলার সকল মানুষের অভিযোগ মুলনা,জয়নগর,বরকান্দি, কুন্ডেরচর,পালেরচর, পূর্ব নাওডোবা, গোপালপুর এলাকায় বংশানুমিক ঐতিহ্য ছিল মারামারির। যা একপর্যায়ে প্রজন্ম পরিবর্ধনে প্রায় সমাপ্তির দিকে।

কিন্তু বিলাশপুর ইউনিয়নে আজ ২৫ বছর যাবৎ নতুন করে কুদ্দুস ব্যাপারি,জলিল মাদবর,সালেক মাদবর,সালাউদ্দিন মাসটার এর কারনে চলছে,যুগ ধরে।এ পর্যন্ত হয়েছে ১০ এর অধিক খুন।বোমা বিস্ফরিত হয়েছে ৬-৭ কোটি টাকার উপরে,মালামাল, ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে কয়েক কোটি টাকার।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে, কিসের জন্য, কোন লাভে করা হচ্ছে এই নৃশংস মারামারি? 

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার কাবেরি রায়ের সাথে কথা বললে, তিনি জানান এলাকার আধিপত্য, দলিয় প্রভাব বিস্তার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যই এই পেশি শক্তির প্রদর্শন।

জাজিরা থানার ওসি দুলাল আকন্দ একি তথ্য জানালেন।

সরোজমিন হতে, সাধরন মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে আরো বেশ কিছু অর্থনৈতিক কারন ও রাজনৈতিক কারন।আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের বেশির ভাগ পরিবারের লোক কর্তার আয়ের উপর দিয়েই চলে, যে কারনে গ্রামের লোকগুলো অল্প পরিশ্রমে অর্থ উপার্জনে আগ্রহি।কেবলমাত্র অবৈধ উপায়ে দ্রুত অর্থ উপার্জন সম্ভব।

যে তথ্য জানা গেল অর্থনৈতিক বিষয়ে :

১/এলাকায় একজনের জমি ক্রয় ও বিক্রয় করতে হলে প্রভাবশালীর সহায়তা নিয়ে করতে হয়,এতে একটা লাভ আসে।

২/ নতুন বাড়ি করলে জমি ভরাট করতে, বাড়ি তৈরীতে প্রভাবশালীর সহায়তা লাগে,এতে কাজের সুবিধা।

৩/ মানব পাচারের একটা বিষয় আছে।সহজ ভাষায় বলতে গেলে, অবৈধপথে বিদেশে শ্রমিক প্রেরন।

৪/এলাকার সরকারি নাল ও খাস জমি হতে,রাতের আন্ধকারে মাটি বিক্রি।

৫/নদী হতে কার্টারের মাধ্যমে বালু কেটে বিক্রি।

৬/এলাকায় চাদাবাজি।

৭/মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন।

৮/ টেন্ডারের কাজ পেতে এবং যে কাজ করবে তার থেকে লাভ গ্রহন করতে।

এই সকল কাজ গুলো করতে মূলত এলাকায় পেশিশক্তির দাপট ও ভয়ের সৃষ্টি করতে হয়।আর ভয় পেলেই জনগনকে যা বলবে তা করবে,যাকে ভোট দিতে বলবে তাকে ভোট দিবে।

৫ই আগস্টের আন্দোলনে সরকারের পটভূমি পরিবর্তন হলে, জাজিরায় অফিসগুলোতে রাজনৈতিক শক্তির শূন্যতার সৃষ্টি হয়।মব জাস্টিছ এর ভয়ে সরকারি কর্তারা তটস্থ। এই সুযোগে একটি বিশেষ গোস্টি তাদের প্রভাব বিস্তারে কাজ করছে।

এরাই উপজেলা হতে এগুলো নিয়ন্ত্রন নিতে কাজ করছে।যে কারনে এই সময়ে এসে, আওয়ামিলীগের নেতারা যখন গ্রেপতার নয়তো পলাতক,এতোটা সাহষ এ সময় কেউ দেখাবে না দাবি এলাকার নিরহ মানুষদের। বিশেষ দলের লোকদের নতুনকরে প্রতিটা এলাকায় ব্যাবসা ও সিন্ডিকেট তৈরিতে, ঈদে ঘরমুখো মানুষ যারা এসেছে গ্রামে, তাদের মধ্যে থেকে বিশেষ দলের লোকজন সূকৌশলে টাকা পয়সা ও ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে,কাজিয়ারচর,দূর্বা ডাংগা,বিলাশপুর,পালেরচড় এলাকায় মারামারির সূত্রপাত ঘটায় বলে দাবি অনেকের।

এলাকার মানুষ এই ধরনের অপতৎপরতা থেকে মুক্তিপেতে কেবলমাত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানের উপরি আস্থা রাখছেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।