শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শরীয়তপুর জাজিরা উত্তপ্ত হওয়ার নেপথ্যের কারন

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি: গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:০৯

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি:

গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক দেওয়া মামলার প্রধান বিলাশপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান, কুদ্দুস ব্যাপারি।বিলাশপুরের বিভিন্ন স্থান হতে আরো ৬ জনকে গ্রেপতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞ্যাত আরো ৫০০-১০০০ জনকে আসামি করে নিয়মিত মামলা করেন জাজিরা থানা পুলিশ।

সারাদিন আজো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পরার মতো।

এদের মধ্যে একজন রয়েছে মোটরসাইকেল চালনাকারী, যে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে, নাম মালেক চৌকিদার।তার পরিবার তাকে নির্দোশ দাবি করে।খবর নিয়ে এর সত্যতাও পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জাজিরা থানা হতে জানা যায় ডিবি তাকে গ্রেপতার করে থানায় সোপর্দ করে।আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই অভিযান করাহচ্ছে। অপরাধী না হলে জামিনে চলে আসবে।

উপজেলার সকল মানুষের অভিযোগ মুলনা,জয়নগর,বরকান্দি, কুন্ডেরচর,পালেরচর, পূর্ব নাওডোবা, গোপালপুর এলাকায় বংশানুমিক ঐতিহ্য ছিল মারামারির। যা একপর্যায়ে প্রজন্ম পরিবর্ধনে প্রায় সমাপ্তির দিকে।

কিন্তু বিলাশপুর ইউনিয়নে আজ ২৫ বছর যাবৎ নতুন করে কুদ্দুস ব্যাপারি,জলিল মাদবর,সালেক মাদবর,সালাউদ্দিন মাসটার এর কারনে চলছে,যুগ ধরে।এ পর্যন্ত হয়েছে ১০ এর অধিক খুন।বোমা বিস্ফরিত হয়েছে ৬-৭ কোটি টাকার উপরে,মালামাল, ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে কয়েক কোটি টাকার।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে, কিসের জন্য, কোন লাভে করা হচ্ছে এই নৃশংস মারামারি? 

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার কাবেরি রায়ের সাথে কথা বললে, তিনি জানান এলাকার আধিপত্য, দলিয় প্রভাব বিস্তার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যই এই পেশি শক্তির প্রদর্শন।

জাজিরা থানার ওসি দুলাল আকন্দ একি তথ্য জানালেন।

সরোজমিন হতে, সাধরন মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে আরো বেশ কিছু অর্থনৈতিক কারন ও রাজনৈতিক কারন।আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের বেশির ভাগ পরিবারের লোক কর্তার আয়ের উপর দিয়েই চলে, যে কারনে গ্রামের লোকগুলো অল্প পরিশ্রমে অর্থ উপার্জনে আগ্রহি।কেবলমাত্র অবৈধ উপায়ে দ্রুত অর্থ উপার্জন সম্ভব।

যে তথ্য জানা গেল অর্থনৈতিক বিষয়ে :

১/এলাকায় একজনের জমি ক্রয় ও বিক্রয় করতে হলে প্রভাবশালীর সহায়তা নিয়ে করতে হয়,এতে একটা লাভ আসে।

২/ নতুন বাড়ি করলে জমি ভরাট করতে, বাড়ি তৈরীতে প্রভাবশালীর সহায়তা লাগে,এতে কাজের সুবিধা।

৩/ মানব পাচারের একটা বিষয় আছে।সহজ ভাষায় বলতে গেলে, অবৈধপথে বিদেশে শ্রমিক প্রেরন।

৪/এলাকার সরকারি নাল ও খাস জমি হতে,রাতের আন্ধকারে মাটি বিক্রি।

৫/নদী হতে কার্টারের মাধ্যমে বালু কেটে বিক্রি।

৬/এলাকায় চাদাবাজি।

৭/মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন।

৮/ টেন্ডারের কাজ পেতে এবং যে কাজ করবে তার থেকে লাভ গ্রহন করতে।

এই সকল কাজ গুলো করতে মূলত এলাকায় পেশিশক্তির দাপট ও ভয়ের সৃষ্টি করতে হয়।আর ভয় পেলেই জনগনকে যা বলবে তা করবে,যাকে ভোট দিতে বলবে তাকে ভোট দিবে।

৫ই আগস্টের আন্দোলনে সরকারের পটভূমি পরিবর্তন হলে, জাজিরায় অফিসগুলোতে রাজনৈতিক শক্তির শূন্যতার সৃষ্টি হয়।মব জাস্টিছ এর ভয়ে সরকারি কর্তারা তটস্থ। এই সুযোগে একটি বিশেষ গোস্টি তাদের প্রভাব বিস্তারে কাজ করছে।

এরাই উপজেলা হতে এগুলো নিয়ন্ত্রন নিতে কাজ করছে।যে কারনে এই সময়ে এসে, আওয়ামিলীগের নেতারা যখন গ্রেপতার নয়তো পলাতক,এতোটা সাহষ এ সময় কেউ দেখাবে না দাবি এলাকার নিরহ মানুষদের। বিশেষ দলের লোকদের নতুনকরে প্রতিটা এলাকায় ব্যাবসা ও সিন্ডিকেট তৈরিতে, ঈদে ঘরমুখো মানুষ যারা এসেছে গ্রামে, তাদের মধ্যে থেকে বিশেষ দলের লোকজন সূকৌশলে টাকা পয়সা ও ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে,কাজিয়ারচর,দূর্বা ডাংগা,বিলাশপুর,পালেরচড় এলাকায় মারামারির সূত্রপাত ঘটায় বলে দাবি অনেকের।

এলাকার মানুষ এই ধরনের অপতৎপরতা থেকে মুক্তিপেতে কেবলমাত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানের উপরি আস্থা রাখছেন।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।