২ এপ্রিল বুধবার সকালে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া সংলগ্ন বুড়াগৌরাঙ্গ নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জামাল শরীফ পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ নিজ হাওলা গ্রামের মো. কালাম শরীফের ছেলে। সে ছাত্রদলের একজন কর্মী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার দিকে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া থেকে একদল যুবক ট্রলার যোগে পার্শ্ববর্তী উপজেলা দশমিনার পাতারচরে ফুটবল খেলতে যাচ্ছিলেন। ধারনা করা হয়, অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে পথিমধ্যে মাঝনদীতে ট্রলারটি হঠাৎ ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ২৫-৩০ জন যাত্রীর মধ্যে সকলেই সাঁতার কেটে তীরে উঠতে পারলেও জামাল শরীফ নিখোঁজ হন।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। কিন্তু নদীর তীব্র স্রোত, গভীরতা এবং রাতের অন্ধকার নেমে আসায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়। রাতভর খোঁজাখুজির পর বুধবার সকালে আবারও উদ্ধার কাজ শুরু হলে সকাল ৮টার দিকে জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি. সদস্য মো. মাসুম জানান, ট্রলার ডুবির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা উদ্ধার কাজ শুরু করেন এবং পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
গলাচিপা ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সৌরভ বালা জানান, “নিখোঁজ জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব বলে কি আপনি মনে করেন?