মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এক ইউপি চেয়ারম্যানের ৪৯ ব্যাংক একাউন্ট , লেনদেন ১৪,৩৭৬ কোটি টাকা

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ২৩:১৮

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক মিয়া কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করলেন, তা রীতিমতো বিস্ময়কর। তার নামে থাকা ৪৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তার আইনসঙ্গত আয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাক মিয়া অবৈধভাবে ৫৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তার নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, অথচ তার বৈধ আয়ের হিসাব মাত্র ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। তার ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৭ হাজার ১৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা জমা করেছেন এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন, যা সন্দেহজনক লেনদেনের ইঙ্গিত দেয়।

দুদকের মতে, ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি এসব অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, যা কোনোভাবেই তার আইনসঙ্গত আয় বা দায়িত্বের সঙ্গে মিল খায় না। শুধু তিনিই নন, তার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধেও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তার নামে পৃথক মামলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, লাক মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৪৬১ কোটি ১৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা জমা এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই লেনদেন হয়েছে, যা তার বৈধ আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে, লাক মিয়ার একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী মো. মহসিন মোল্লার ব্যাংক লেনদেন নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে দুদক। মাত্র ১২ হাজার টাকা বেতনের এই কর্মচারীর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৩২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মহসিন মোল্লা কেবল লাক মিয়ার অধীনে কর্মচারী ছিলেন না, তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের— এনআরবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এবং এম/এস এনআরবি ট্রেডার্স— ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার ব্যাংক হিসাবে দেখা গেছে, ৫ হাজার ১৬১ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে দুদক।

দুদক আরও জানিয়েছে, মহসিন মোল্লা এবং তার স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা যাচাই করতে পৃথক অনুসন্ধান ফাইল খোলা হবে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অনুসন্ধান এবং মামলার পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যান ও তার আশপাশের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা লেনদেন করলেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী লাক মিয়ার বিরুদ্ধে এতদিন প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়াও অনেকের কাছে বিস্ময়কর।

দুদকের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। তারা মনে করছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। লাক মিয়ার মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় সরকার ও দুদককে আরও সক্রিয় হতে হবে, এমনটাই বলছেন সাধারণ মানুষ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।