মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আট মাসেই শতকোটি টাকা হাতিয়েছেন শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই খোকন

গত বছরের এপ্রিলের আগে বরিশালের কেউ চিনত না খোকন সেরনিয়াবাতকে। বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে কে পাবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তা নিয়ে যখন চলছিল আলোচনা-হঠাৎ করে নৌকার মাঝি হিসাবে কেন্দ্র থেকে ঘোষিত হয় তার নাম। অনেকটাই হতবাক হয়ে পড়েন বরিশালের মানুষ। কে এই খোকন সেরনিয়াবাত তা জানতে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন […]

নিউজ ডেস্ক

২১ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৪২

গত বছরের এপ্রিলের আগে বরিশালের কেউ চিনত না খোকন সেরনিয়াবাতকে। বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে কে পাবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তা নিয়ে যখন চলছিল আলোচনা-হঠাৎ করে নৌকার মাঝি হিসাবে কেন্দ্র থেকে ঘোষিত হয় তার নাম। অনেকটাই হতবাক হয়ে পড়েন বরিশালের মানুষ। কে এই খোকন সেরনিয়াবাত তা জানতে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন সবাই। পরে জানা যায়, দলের প্রভাবশালী নেতা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর একমাত্র ভাই ও শহিদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট ছেলে এই খোকন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই।

দলীয় রাজনীতিতে কোনো অবদান না থাকলেও শেখ পরিবারের কোটায় ওই বছরের ১২ জুন অনুষ্ঠিত প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে জয়ী হন খোকন। মেয়রের দায়িত্ব নেন ১৪ নভেম্বর। মাত্র সাড়ে ৮ মাস ছিলেন এ দায়িত্বে। এ সময়েই নগর ভবনের ঠিকাদারির পার্সেন্টেজ নেওয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে প্রায় শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। শেখ হাসিনার ভাই হিসাবে প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে তটস্থ করে রেখেছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত তার কথায় উঠতে আর বসতে হতো বরিশালের প্রায় সবাইকে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর সাবেক মেয়র তারই ভাতিজা সাদিক আব্দুল্লাহর সময়ে বরাদ্দ দেওয়া নগরীর ১৮টি হাটবাজারের ইজারা বাতিল করেন খোকন। তার লোকজন দখল করে নেয় নগরীর দুটি বাস টার্মিনালসহ সব লঞ্চঘাট ও বালুমহালসহ অন্যান্য স্থাপনা। সেখান থেকে আয় হওয়া অর্থের ভাগ নিতে শুরু করেন তিনি।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে নগর ভবনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পরও টানা ৮ মাস বন্ধ রাখা হয় বরিশাল নগরীর সব প্রকার ভবন এবং স্থাপনা নির্মাণের প্ল্যান অনুমোদন। পরে ১-২টা করে প্ল্যান ছাড়া শুরু হলেও ৬ তলার বেশি উচ্চতার ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষমতা নিজের হাতে রেখে দেন খোকন। কি কারণে তিনি এটা নিজের হাতে রেখেছেন তা সহজেই অনুমেয়। ৬ তলার নিচের ভবনের প্ল্যান অনুমোদনেও নির্দিষ্ট অঙ্কের উৎকোচ দিতে হতো তার নির্ধারিত লোককে। নির্বাচনের সময় সব প্রকার অযৌক্তিক কর বাতিলের ঘোষণা দিলেও দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো প্রত্যাহার তো দূর, বরঞ্চ নতুন করে পানির লাইন স্থাপনসহ বিভিন্ন খাতে কর বাড়ান খোকন। ট্রেড লাইসেন্স, সাইন বোর্ড রাজস্বসহ প্রায় সব খাতে টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে দেন তিনি। ফলে বাড়তি করের কবলে পড়েন নগরবাসী। এমনকি ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরও অজ্ঞাত স্থান থেকে ২৮ জুলাই প্রায় ২ কোটি টাকার চেক স্বাক্ষর করেন খোকন। কোভিড প্রকল্পের ওই টাকা অতি সম্প্রতি এসেছিল নগর ভবনে। ২ কোটি টাকার চেক ছাড়ার বিনিময়ে পার্সেন্টেজ বাবদ টাকা নেন ২০ লাখ।’ চলতি বছরের মার্চে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের ২৬৭ কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান করে সিটি করপোরেশন। আগে ভাগেই ঠিক হয়ে থাকা ঠিকাদারদের কার্যাদেশ দেওয়া হয় পরের মাস এপ্রিলে। ১৮ গ্রুপের ওই কাজ পাওয়াদের তালিকায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফের শ্যালক বরিশালের বিতর্কিত ঠিকাদার মাহফুজ খানের নামও রয়েছে। ১৮ গ্রুপের কাজের মধ্যে তিনি একাই পান ৬ গ্রুপের কাজ। কাজ পাওয়া একাধিক ঠিকাদার  জানান, ‘টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই আমাদের সঙ্গে কাজের ব্যাপারে সবকিছু ফাইনাল করে নেন খোকন সেরনিয়াবাত। টেন্ডার মূল্যের বিপরীতে শতকরা ১০ ভাগ টাকা তাকে অগ্রিম দিয়ে কাজ নিতে হয় আমাদের।’

শুধু এই ২৬৭ কোটি টাকার ঠিকাদারিই নয়, গত সাড়ে ৮ মাসে নগর ভবনে যতগুলো ঠিকাদারি কাজের টেন্ডার কিংবা মৌখিক নির্দেশ হয়েছে, তার সবগুলোর ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ১০ পার্সেন্ট হিসাবে টাকা দিতে হয়েছে খোকন সেরনিয়াবাতকে।

দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই আয় বাণিজ্যের খাতগুলোতে হাত দিতে শুরু করেন খোকন সেরনিয়াবাত। ভাগাভাগিতে বনিবনা না হওয়ায় নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে সরিয়ে দেন বাস মালিক গ্রুপের তৎকালীন সভাপতি আফতাব হোসেনকে। বসান নিজের লোক ছাত্রলীগের সাবেক নেতা অসীম দেওয়ানকে। এই অসীম দেওয়ান ছিলেন খোকনের আয় বাণিজ্যের ক্যাশিয়ার। নগর ভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বরিশাল নগরে বিসিসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন মোট ১৮টি হাটবাজার রয়েছে। সঠিক নিয়মে টেন্ডার হলে এসব হাটবাজার থেকে বছরে ২০ কোটি টাকা ইজারা মূল্য আয় করা সম্ভব। কিন্তু নিজের আয় ঠিক রাখতে মাত্র ১ কোটি টাকায় হাটবাজারগুলো নিজের লোকজনের মধ্যে বণ্টন করে দেন খোকন। বিনিময়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা। এসব বাজার থেকে ওঠা প্রতিদিনের টাকার হিসাব নিতেন অসীম দেওয়ান। তারপর নির্ধারিত অঙ্ক পৌঁছে যেত সদ্য সাবেক মেয়রের বাসায়।’

বিআইডব্লিউটিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পরপরই বরিশাল লঞ্চঘাটসহ নদী বন্দরে থাকা আমাদের প্রায় সব ঘাট দখল করে নেয় খোকন সেরনিয়াবাতের লোকজন। পরে অনেকটা বাধ্য হয়ে সরাসরি রাজস্ব আদায় দেখিয়ে তাদের হাতে ঘাট পরিচালনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হই আমরা। চলতি বছরের জুনে হাসিবুল ইসলাম নামে একজন একতলা লঞ্চ ঘাটের ইজারা পেলেও তাকে ঘাট বুঝিয়ে দিতে পারিনি।’ বরিশাল স্পিডবোট ঘাটের একাধিক বোট চালক বলেন, ‘এই ঘাট থেকে খোকন সেরনিয়াবাতের নামে নিয়মিত ওঠানো হত মোটা অঙ্কের চাঁদা। না দিলে বোট চালাতে না দেয়ার হুমকি দিত।’

বরিশাল নগরের দুটি বাস টার্মিনাল থেকেও মাসে ২৫ থেকে ৩০ লাখ করে টাকা নিতেন খোকন সেরনিয়াবাত। বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিবার গাড়ি ছাড়ার বিপরীতে ৬০ টাকা করে আদায় করত তার লোকজন। এভাবে দুটি টার্মিনাল থেকে আয় হতো প্রায় ১৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া মালিক সমিতির নিয়ন্ত্রণে থাকা বিএমএফ পরিবহণের আয়ের টাকাও দিতে হতো থাকে। এই খাতেও মাসে ৬-৭ লাখ টাকা পেতেন তিনি। দূরপাল্লার নতুন কোনো পরিবহণ এলে বরিশালের ওপর দিয়ে চলার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা দিতে হতো খোকন সেরনিয়াবাতকে।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এমন কোনো খাত নেই যেখান থেকে টাকা দিতে হতো না তাকে। এমনকি সাবেক মেয়র মরহুম শওকত হোসেন হিরনসহ তার ঘনিষ্ঠদের মালিকানাধীন ‘বরিশাল প্ল্যানেট পার্ক’র চুক্তি নবায়নেও উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পার্কের পরিচালনা পরিষদের একজন বলেন, ‘নবায়ন প্রশ্নে করপোরেশনের ফি প্রায় ১০ লাখ টাকা ছাড়াও আলাদাভাবে ৪০ লাখ টাকা দিতে হয়েছে।’

এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য খোকন সেরনিয়াবাতের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. রুবেলের নম্বরে ফোন দিলে রিং হলেও তিনি তা ধরেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো উত্তর মেলেনি।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২