মনিরুল ইসলাম , নাটোর প্রতিনিধিঃ
খরচ ও পরিশ্রম বেশি হলেও লাভজনক হওয়ায় নাটোরের হালতি বিলের কৃষকরা পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের দিকে ঝৃঁকেছে। এই আবাদে সার, কীটনাশক যেমন বেশি লাগে তেমনি হাত দিয়ে পরাগায়ন করাতে হয় জন্য পরিশ্রমও বেশি হয়। তবে আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ফলন ভালো হলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখেতে পারেন।
কৃষি বিভাগের হিসেবে জেলায় এবার পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩৬ হেক্টর জমিতে। নলডাঙ্গা উপজেলার হালতি বিল এলাকায় এই পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এই উৎপাদিত পেঁয়াজ নলডাঙ্গা উপজেলাতে অর্ধেক লাগে। বাকি পেঁয়াজ অন্য জেলাতে চলে যায়।
যেহেতু এটা লাভজনক ফসল তাই নলডাঙ্গা উপজেলার কৃষকরা এই বীজ উৎপাদন কার্যক্রমটা ভালোভাবে রপ্ত করেছে। কৃষি বিভাগ থেকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয়। নলডাঙ্গা উপজেলার কৃষকরা এই বীজ উৎপাদন কার্যক্রমটা ভালোভাবে রপ্ত করেছে।
কৃষি বিভাগ থেকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয়। বীজ উৎপাদন বাড়াতে পারলে পেঁয়াজ চাষ বেড়ে যাবে। তারা আশা করছেন এবার বীজ উৎপাদন ভালো হবে। পেঁয়াজ বী চাষীরা জানান, এটি বেশ লাভজনক ফসল। তবে খরচ ও পরিশ্রম বেশি। যেহেতু এখন মৌমাছে পরাগায়ন হয় না তাই তাদের হাত পরাগায়ন করতে হয়।
তাছাড়া সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খরচ বেড়ে যায়। এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ৫০/৬০ হাজার টাকা। ভালো বীজ উৎপাদন হলে ৭০/৮০ কেজি হয়। গতবার তারা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বীজ ২৫০০ টাকা কেজি বিক্রি করেছিলেন এবং তার আগের বছর ৫০০০ টাকা থেকে ৬০০০টাকা কেজি বিক্রি করেছিলেন। এবার যে আবহাওয়া আছে তাতে তারা আশা করছেন বীজ উৎপাদন ভালো হবে। আর বীজ উৎপাদন ভালো হলে তারা লাভ করবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের এই কর্মকর্তা জানান, জেলায় এবার পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩৬ হেক্টর জমিতে। অন্যান্য উপজেলাতেও হয়। নলডাঙ্গা উপজেলার হালতি বিল এলাকায় ১৩৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এই উৎপাদিত পেঁয়াজ নলডাঙ্গা উপজেলাতে অর্ধেক লাগে।
বাকি পেঁয়াজ অন্য জেলাতে চলে যায়। যেহেতু এটা লাভজনক ফসল তাই নলডাঙ্গা উপজেলার কৃষকরা এই বীজ উৎপাদন কার্যক্রমটা ভালোভাবে রপ্ত করেছে। কৃষি বিভাগ থেকেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয়। বীজ উৎপাদন বাড়াতে পারলে পেঁয়াজ চাষ বেড়ে যাবে।
তারা আশা করছেন এবার বীজ উৎপাদন ভালো হবে। গত বছর ৫০৩৪ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ ছিল। এবার সেটা বেড়েছে। যেহেতু মৌমাছির দ্বারা পরাগায়ন এখন হয় না তাই নাটোরের কৃষকরা এই পেঁয়াজ বী উৎপাদনে হাত পরাগায়ন ব্যবহার করে।