শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

খুব আনন্দ হচ্ছে, এটাই তো চেয়েছিলাম, ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই : বেবী নাজনীন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আনন্দচিত্তে। উৎসব আমেজে ভোট দিতে গেলেন গায়িকা বেবী নাজনীন। তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ভোটার। ধানের শীষের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রচারণায় সরব ছিলেন তিনি। আজ সকাল ১১টায় গুলশানের গুলশান মডেল স্কুল এন্ড কলেজের কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভোট দিয়েছেন তিনি। ভোট […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:০৮

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আনন্দচিত্তে। উৎসব আমেজে ভোট দিতে গেলেন গায়িকা বেবী নাজনীন। তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ভোটার। ধানের শীষের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রচারণায় সরব ছিলেন তিনি।

আজ সকাল ১১টায় গুলশানের গুলশান মডেল স্কুল এন্ড কলেজের কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভোট দিয়েছেন তিনি। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ‌‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’খ্যাত এই গায়িকা।

তিনি বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। খুব আনন্দ হচ্ছে। অবশেষে ভোট দিতে পারলাম। এটাই তো চেয়েছিলাম। ইচ্ছে করছে ১৭ বছরের সব ভোট আবার দেই।

’ এসময় তিনি নিজে মনোনয়ন না পাওয়া নিয়েও কথা বলেন। গায়িকা বলেন, ‘দল যেটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই আমার কাছে বড়।’

তাকে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদে দেখা যাবে কি না সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটাও নির্ভর করছে দলের সিদ্ধান্তের উপর। আপনাদের দোয়া ও আল্লাহ যদি চান তবে হয়তো হবে।’

তিনি সবার কাছে ধানের শীষের জয়ের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুন্দর, সফল ও শান্তির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে ডুবে না ফেরার দেশে অভিনেতা রাহুল

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে। জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা। তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৪

শুটিংয়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। আজ রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারে তার প্রয়াণের খবর আসে।

জানা গেছে, আজ রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের এই অভিনেতা।

তালসারিতে পানিতে নেমে তলিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে দিঘা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। দিঘা হাসপাতালেই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা।
আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষে অভিনেতা দিগন্ত বাগচী জানিয়েছেন, শুটিং শেষ হওয়ার পরে তিনি পানিতে নামেন।

তিনি বলেন, “হয় ও সাঁতার জানত না, বা কোনোভাবে আটকে পড়েছিল। হঠাৎ টেকনিশিয়নরা চিৎকার করতে করতে বলেন, ‘রাহুলদা ডুবে যাচ্ছে’। যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও বেঁচে ছিল। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে ওকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

বিনোদন

গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

সামনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আর এ নিয়ে সরগরম এখন দেশের প্রতিটি অঙ্গন। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি- সবার মুখে মুখে এখন চলছে ভোটের আলোচনা। এদিকে বাংলাদেশের লোকসংগীত, গ্রামীণ ও বাউল গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতিও সরব হয়েছেন নির্বাচনে। এবার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেছেন লোকসংগীতের মহাতারকা খ্যাত এ শিল্পী। সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে […]

গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮

সামনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন আর এ নিয়ে সরগরম এখন দেশের প্রতিটি অঙ্গন। শিশু থেকে বৃদ্ধ, কৃষক থেকে কবি- সবার মুখে মুখে এখন চলছে ভোটের আলোচনা। এদিকে বাংলাদেশের লোকসংগীত, গ্রামীণ ও বাউল গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতিও সরব হয়েছেন নির্বাচনে। এবার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেছেন লোকসংগীতের মহাতারকা খ্যাত এ শিল্পী।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি ভোটবিষয়ক একটি পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, গানকে হারাম বলা দলটাও গানে গানে ভোট খুঁজছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ করেননি।


আর তার এ মন্তব্যের পর কমেন্ট সেকশনে তার সমর্থনে আসছে নানা মন্তব্য। প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকেই।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব থাকেন কুদ্দুস বয়াতি।


আবদুল কুদ্দুস বয়াতি ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক নির্মিত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গাওয়া ‘এই দিন, দিন না আরো দিন আছে’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। এছাড়া কোভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাবকালীন ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তিনি জাইনা চলেন, মাইনা চলেন গানে অংশ নেন। এখন পর্যন্ত কদ্দুস বয়াতির দুটি একক অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপণচিত্র, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে গান গেয়েছেন।

তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার অন্তর্গত রাজীবপুর গ্রামে।