বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার উত্তরাঞ্চলের তিন জেলা সফরে যাচ্ছেন। সফরের শুরুতে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন, এরপর নীলফামারী হয়ে দিনাজপুরের বিরামপুরে যাবেন। প্রতিটি জেলায় নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দিনাজপুরে তাঁর নানা–নানী ও খালার কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
২৩ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও সফর করছেন। সেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর নির্বাচনি এলাকায় একটি বড় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। জনসভায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপকভাবে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সফরসূচি অনুযায়ী, তারেক রহমান ঢাকার বাইরে থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে হেলিকপ্টারে জনসভাস্থলে যাবেন। প্রায় দুই যুগ পর দলীয় প্রধানকে সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের জন্য তারেক রহমানের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ।
পুলিশ জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যানের নির্বাচনি সফর উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পর নীলফামারীতে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি দিনাজপুরের বিরামপুরে যাবেন—যে এলাকাটি তাঁর পারিবারিক স্মৃতিবিজড়িত। প্রায় ২০ বছর পর সেখানে তার আগমনকে ঘিরেও নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিরামপুর তারেক রহমানের নানাবাড়ির এলাকা। দীর্ঘদিন অবহেলিত এই অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে তারা নতুন করে আশাবাদী।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানের প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা রয়েছে, তা ৭ ফেব্রুয়ারির জনসভাগুলোতেই প্রমাণ হবে।”