শহীদ ওসমান হাদিকে প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে—এমন মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের মানুষের শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শহীদ ওসমান হাদি গণতন্ত্রের পথে ছিলেন এবং ভোট ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ায় জুলাই শহীদদের স্মরণে নির্মিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি, জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধারা এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে হলে আমাদের লক্ষ্য একটাই হতে হবে—দেশের জন্য কাজ করা এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি বলেন, “লক্ষ্য একটাই—করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”
তারেক রহমান বলেন, দেশকে ধ্বংসের কিনারা থেকে আবার গড়ে তুলতে হবে। এজন্য কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি সতর্ক করে বলেন, সামনের দিনগুলো সহজ নয়, বিভিন্ন স্থানে অরাজকতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রায় বিশ কোটি মানুষের জন্য কার্যকর ও মানবিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার করতে হবে এবং তরুণদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
পাশাপাশি নারীদের শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া-এর অবদানের কথা স্মরণ করেন। বলেন, তারা দেশকে ধ্বংসের কিনারা থেকে উদ্ধার করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। সেই পথ অনুসরণ করেই বাংলাদেশকে আবার সামনে এগিয়ে নিতে হবে।
বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবর রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, ভিপি সাইফুল ইসলাম, সাবেক এমপি জিএম সিরাজ, কাজী রফিকুল ইসলাম ও মোশারফ হোসেনসহ দলের নেতারা।