পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব প্রার্থী নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে— এমন দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হাসান মামুন।
তিনি বলেন,“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজস্ব প্রার্থী নিয়ে এ আসনে নির্বাচন করবে। আপনারা যাকে চাইবেন, সে-ই এই আসনে নির্বাচন করবে। আপনারা যদি আমাকে চান, তাহলে আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে আমি নির্বাচনে লড়াই করবো। দল বা জোট যা-ই সিদ্ধান্ত দিক— আমরা নির্বাচন করবোই করবো। কোনো শক্তিই আমাদের বাঁধাগ্রস্ত করতে পারবে না, ইনশাল্লাহ।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। কোনো পরগাছা, ভাড়াটিয়া কিংবা তথাকথিত নেতার নেতৃত্বে আমরা এ আসনে নির্বাচন করবো না।”
সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় গলাচিপা উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের মধ্য রতনদী তালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় অন্যান্য নেতৃবৃন্দও হাসান মামুনকে কেন্দ্রীয় বিএনপি চুড়ান্তভাবে মনোনয়ন প্রদান করবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে এ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে একাট্টা ঘোষণা দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোসা. নার্গিস সুলতানা এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. এমদাদ শরীফ।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান এবং প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার হাওলাদার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপি সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন খান, উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর হোসেন খান, আব্দুস সালাম মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাকসুদ আলম তালুকদার, মো. মাসুম বিল্লাহ,
সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, খন্দকার মশিউর রহমান শাহিন, মো. শহিদুল ইসলাম মোল্লা, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাদাত হোসেন বুলবুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আলী জিন্নাহ ও সদস্য সচিব ফজলুল হক শাকিল, ঢাকা উত্তরের সাবেক ছাত্রনেতা নিয়াজ মাহমুদ নকিব।
এছাড়াও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহজালাল, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মোল্লাসহ উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও হাজার হাজার মানুষ জনসভায় অংশ নেন।