গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তিশালী গণতন্ত্র বিনির্মাণ করতে হবে। এজন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।” তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার প্রায় ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে রাষ্ট্রক্ষমতা নিজেদের হাতে বন্দি রেখেছিল। তাদের নতজানু নীতির কারণে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে এবং জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “গণতন্ত্রের পক্ষে যারা কথা বলেছে, তাদের নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে। আয়নাঘর, গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা—এসবের মাধ্যমে দেশে ভয়ের এক রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে বছরের পর বছর মুক্তি দেয়া হয়নি। কিন্তু ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আত্মদানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্টরা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। জনগণের ত্যাগেই গণতন্ত্রের মুক্তির পথ উন্মুক্ত হয়েছে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এখন সময় এসেছে সেই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার—যেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হবে, মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হবে, আর সমাজে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
তারেক রহমান বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা পরিকল্পিতভাবে দেশীয় কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হেনেছিল। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনা থেকেই আমাদের নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যই পারে বাংলাদেশকে আবারও গণতান্ত্রিক পথে ফিরিয়ে আনতে।”