ভোলা সদরে বিজেপির নির্বাচনী মিছিল শেষে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত ওই মিছিলে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। শান্তিপূর্ণভাবে জোহরের নামাজের পূর্বেই মিছিলটি শেষ হলেও কিছুক্ষণ পরেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মিছিল শেষে অল্পসংখ্যক বিজেপি নেতাকর্মী ভোলা সদরের দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎই চার থেকে পাঁচ শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী দলীয় অফিসে হামলা চালায়। তারা নির্বিচারে মারধর করে এবং অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর বিজেপির চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন—
“আজ ভোলা সদরে বিজেপির বিশাল এক নির্বাচনী মিছিল হয়। হাজার হাজার মানুষ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে। জোহরের নামাজের পূর্বে যখন শান্তিপূর্ণ এই মিছিল শেষ হয় তখন অল্পসংখ্যক নেতাকর্মী বিজেপির কার্যালয়ে ছিল, ঠিক তখনই ঈর্ষান্বিত হয়ে ৪০০/৫০০ জনের বিএনপির একটি গ্রুপ কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের নিরীহ নেতাকর্মীদের মারধর করে এবং পার্টি অফিস ভাঙচুর করে। এটা দুঃখজনক, হতাশাজনক এবং আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এভাবে চলতে থাকলে জাতীয়তাবাদী শক্তির সম্মান দেশব্যাপী সাংঘাতিকভাবে ক্ষুণ্ণ হবে এবং সমগ্র দেশব্যাপী ভোটে এর প্রভাব পড়বে। অনেক দুঃখজনক ব্যাপারটা। ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই।”

বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, হামলাটি পরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক ঈর্ষা থেকে করা হয়েছে। তারা বলেন, দলের শক্তি ও ঐক্য নষ্ট করার অপচেষ্টাই এই হামলার মূল উদ্দেশ্য।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।