বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমতলীতে বিএনপি অফিসে হামলা ও ভাংচুর

রাশিমুল হক রিমন (বরগুনা) প্রতিনিধি : আমতলী উপজেলার খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজারে সদর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে সাবেক রাষ্টপতি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান,  দেশ নেত্রী খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিড়ে ফেলেছে। এতে  বাঁধা দেয়ায় হেলমেট পরিহিত মুখোশধারী সস্ত্রাসীরা ইউনিয়ন যুবদল সদস্য মোঃ […]

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৪, ২০:১৬

রাশিমুল হক রিমন (বরগুনা) প্রতিনিধি :
আমতলী উপজেলার খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজারে সদর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে সাবেক রাষ্টপতি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান,  দেশ নেত্রী খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিড়ে ফেলেছে।
এতে  বাঁধা দেয়ায় হেলমেট পরিহিত মুখোশধারী সস্ত্রাসীরা ইউনিয়ন যুবদল সদস্য মোঃ খোকন হাওলাদারকে কুপিয়ে এবং শ্রমিকদল সদস্য রাসেলকে পিটিয়ে জখম করেছে। পরে তাদের বহনকারী মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ফেলেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজারে।
আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাদল খাঁন,উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা ও সাবেক কাষ্টম কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের নির্দেশে হেলমেট পরিহিত ৪০/৫০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে।
তিনি আরো বলেন, ভাংচুরে বাধা দেয়ায় যুবদল নেতা খোকন হাওলাদারকে কুপিয়ে এবং শ্রমিক দল নেতা রাসেলকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানাগেছে, গত ৫ আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনার পতনের পরে আমতলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজারে বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন। অভিযোগ রয়েছে ওই কার্যালয় উদ্বোধনের পর থেকেই উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সদর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা ও তার ভাই  উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য জহিরুল ইসলাম  খোকন মৃধা বিএনপি কার্যালয় হামলার পরিকল্পনা করেছে এমন অভিযোগ উপজেলা  যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম মৃধা।
মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাদল খাঁন,উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা ও সাবেক কাষ্টম কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের নির্দেশে হেলমেট পরিহিত ৪০/৫০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর চালায়। ওই সময়ে ফকিরবাড়ী স্ট্যান্ড  থেকে আসা সদর ইউনিয়ন যুবদল সদস্য খোকন হাওলাদার ও শ্রমিক দল সদস্য রাসেল হামলা ও ভাংচুরে  বাঁধা দেয়। এতে সন্ত্রাসীরা ক্ষুব্দ হয়ে খোকন হাওলাদারকে কুপিয়ে এবং রাসেলকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
পরে তাদের বহনকারী মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ তানভীর শাহারিয়ার গুরুতর আহত খোকন হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। এ ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির।
আমতলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জহিরুল ইসলাম মামুন বলেন, আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীরা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্টপতি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান,  দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ছিড়ে ফেলেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তিনি।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সদর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে সাবেক কাষ্টমস কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। আমি গতকাল ঢাকায় কেন্দ্রিয় বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক সাংসদ নুরুল ইসলাম মনির চেম্বারে উপস্থিত ছিলাম।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ তানভীর শাহারিয়ার বলেন, আহত খোকন হাওলাদারকে যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত রাসেলকে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান আরিফ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯