রাজধানীর কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় সরাসরি সেনা কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রিয় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগার পিনাকী ভট্টাচার্য শনিবার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, হামলাটি হয়েছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রকিব (অধিনায়ক ১৮ ইস্ট বেঙ্গল) এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজালুর রহমানের (অধিনায়ক ১১ বীর) নেতৃত্বে।
আর এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আসাদ। তার নির্দেশেই রকিব ও আফজাল হামলা পরিচালনা করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পিনাকী আরও লিখেছেন, গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে, এমনকি টয়লেট পর্যন্ত ভেঙে নেতাকর্মীদের ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এ হামলার উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় পার্টি ও জিএম কাদেরকে রক্ষা করা। এ প্রেক্ষাপটে ওয়াকার নামের এক প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নেমেছেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গেল রোজায় ওয়াকার হাসনাত আবদুল্লাহ ও সার্জিস আলমকে ডেকে আওয়ামী লীগের নতুন কৌশল নিয়ে হুমকি দিয়েছিল। নুরের ওপর আজকের এই হামলা সেই হুমকির বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পিনাকী ভট্টাচার্য তার স্ট্যাটাসে কঠোর ভাষায় লেখেন, “নো মোর মিলিটারি, ব্যারাকে ফেরো তাড়াতাড়ি।” তার মতে, সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার এই প্রবণতা দেশের জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত এবং গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুর। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
