শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

ঢাবিতে আমার ছবিটা প্রিন্ট করে, সবচেয়ে পচা জুতাটা নিক্ষেপ করো,আমি হাসিমুখে গ্রহণ করবো : খায়রুল বাসার

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় আসেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। নানা সামাজিক ও সমসাময়িক কর্মকাণ্ডেও প্রশংসা কুড়ালেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবার বিতর্কে জড়ালেন তিনি। এর জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন সমালোচক তার ছবিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। খায়রুল বাসার নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাই বিষয়টি নিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৫, ১৭:৪৯

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে আলোচনায় আসেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। নানা সামাজিক ও সমসাময়িক কর্মকাণ্ডেও প্রশংসা কুড়ালেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবার বিতর্কে জড়ালেন তিনি।

এর জেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন সমালোচক তার ছবিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

খায়রুল বাসার নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাই বিষয়টি নিয়ে নিজের অনুভূতি ও ক্ষোভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বাসার লেখেন, “আজ নাকি আমার ক্যাম্পাসে আমাদের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ হবে?

এই চোরের রাষ্ট্রে, এই বাটপারের রাষ্ট্রে আমি কোন অপরাধে? আমি কি অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুগ ধরে কথা বলেছি বলে? নাকি শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছি বলে?”

নিজের ক্যাম্পাসের অনুজদের উদ্দেশে খায়রুল বাসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ওকে, আমার ভাইয়েরা; আমার প্রিয় অনুজরা, আমার ছবিটা বড় করে প্রিন্ট করো এবং সবচেয়ে পচা জুতাটা নিক্ষেপ করো।

আমি হাসিমুখে গ্রহণ করবো। কারণ আমি বুঝেছি তোমরা রাজনৈতিক হয়েছো, তোমাদের ইগো এবং আলাদা লক্ষ্য নিয়ে নেমেছো। সেখানে সাধারণ মানুষের আবেগ তোমাদের বিবেচনার বিষয় নয়।”

তিনি আরও লেখেন, “তোমরা কেবল ক্ষমতার দাস নও, তোমরা নিজের, দেশের এবং দায়িত্বেরও। এই বিশ্বাস হয়তো ভেঙে যাচ্ছে, ভাঙুক! আমি তো তেমন বড় কিছু নই। ভালোবাসা আর শুভকামনা রইলো তোমাদের জন্য। তোমরা এ দেশের প্রকৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের হয়ে উঠো—এই কামনা।”

এর আগে ১৫ আগস্ট খায়রুল বাসার সামাজিক মাধ্যমে কবি আল মাহমুদ এবং নির্মলেন্দু গুণের কবিতা শেয়ার করে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানান। সেই পোস্টকে ঘিরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং ঢাবির কিছু শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে প্রতীকী কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

বিনোদন

ম্যাডাম নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ খাচ্ছেন : হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কনকচাঁপা

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে না পারলেও তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। ফাতেমা তাকে জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:১৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে না পারলেও তার সার্বক্ষণিক সহযোগী ফাতেমার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়।

ফাতেমা তাকে জানান, খালেদা জিয়া বর্তমানে নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করছেন এবং আগের তুলনায় তার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছে।

ফাতেমার ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া মাঝে মাঝে চোখ খুলছেন এবং পরিবেশ সম্পর্কে ক্ষণিকের জন্য হলেও সাড়া দিচ্ছেন। এ তথ্য জানার পর কনকচাঁপা বলেন, “আমরা সারা দেশের মানুষ তার সুস্থতার জন্য দোয়া করছি। আমি বিশ্বাস করি, লাখো মানুষের দোয়ার মধ্যে অন্তত কারোর দোয়া আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন।” তিনি আরও প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন যেকোনো উপায়ে দেশনেত্রীকে সুস্থতা ও আরাম দান করেন।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করেন কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা। তিনি লিখেন, “ম্যাডামের ভালো থাকার স্বার্থেই হাসপাতালে ভিড় না করাই ভালো—এ কথা মাথায় রেখেই এতদিন দূর থেকে দোয়া করে যাচ্ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মন আর মানল না। নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে তার কক্ষের সামনে পর্যন্ত গেলাম।”

হাসপাতালে কনকচাঁপার দেখা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুল রহমান শিমুল বিশ্বাস, উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম, ডা. জুবাইদা রহমানের বড় বোন শাহিনা খান জামান বিন্দু এবং ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নানসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকেও তিনি খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক আপডেট নেন।

দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতোই সাধারণ মানুষও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া অব্যাহত রেখেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই গণমাধ্যম ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে তার চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

‘মা-বাবাকে গালি দিলেই সহ্য করা যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে কিছু বললে তার বান্দারা তো চুপ থাকবে না’ : সালমা

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:০৪

মহান আল্লাহতায়ালাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মানিকগঞ্জের কারাগারে রয়েছেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার। পালাগানের মঞ্চে তাঁর আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ব্যক্তির দায় পুরো বাউল সম্প্রদায়ের ওপর এসে পড়েছে—এমন অভিযোগও ওঠে। মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। অন্যদিকে কিছু সুশীল নাগরিক তাঁর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করলেও সাধারণ মানুষের দাবি—অভিযুক্তের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা।

এমন বিতর্কের মধ্যে বাউল আবুল সরকারের ওই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, কারও ব্যক্তিগত মন্তব্যের দায় পুরো শিল্পীসমাজ নেবে না। সালমা বলেন, “আপনারা গান করেন, বাউল পরিচয়ে চলেন। কিন্তু এমন কিছু করবেন না, যার জন্য পুরো শিল্পীসমাজ লজ্জিত হয়।

সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। এটা আমাদের হৃদয়ে আঘাত করে। মা-বাবাকে গালি দেওয়া যায় না, সেখানে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে অপমান করলে তাঁর বান্দারা চুপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “সৃষ্টিকর্তা ও রাসুলকে অসম্মান করার অনুমতি কেউ আপনাকে দেয়নি। আপনার এই কাজ পুরো শিল্পীসমাজকে কলঙ্কিত করেছে, আর এই দায় আমরা নেব না। একজন প্রকৃত বাউল কখনও কাউকে কষ্ট দিতে পারে না, অপমান করতে পারে না।”

সালমা দাবি করেন, আবুল সরকারের ভিডিও দেখে তাঁর মনে হয়নি এটি কোনো ভুলভাল কথা বা মুখ ফসকে বলা মন্তব্য। বরং তিনি মনে করেন, আবুল সরকার সচেতনভাবে আল্লাহকে নিয়ে কৌতুক করেছেন। “এটা কৌতুক করার বিষয় নয়”—জোর দিয়ে বলেন সালমা।

গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় খালা পাগলীর মেলায় পালাগানের মঞ্চে আবুল সরকারের আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। ঘটনার পর ৫ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরের একটি গানের আসর থেকে তাঁকে আটক করে মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশ। পরদিন তাঁকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ধর্ম অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ বাড়ছে, আর শিল্পীসমাজ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো হচ্ছে।