সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরান পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইরানে গুপ্তচরবৃত্তি ও ইসরাইলের সাথে সহযোগিতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক মোসাদ এজেন্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। আজ (বুধবার) সকালে ‘রুজবেহ ভাদি’র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে ইরানের বিচার বিভাগ নিশ্চিত করেছে।   মামলার নথি ও ভাদির নিজস্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি সম্পূর্ণ সচেতনভাবে মোসাদের সাথে সহযোগিতা করছেন। ভাদি ইরানের একটি সংবেদনশীল সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং তার […]

ইরান পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইরান পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

এডিটর

০৭ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৪

ইরানে গুপ্তচরবৃত্তি ও ইসরাইলের সাথে সহযোগিতার দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক মোসাদ এজেন্টের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। আজ (বুধবার) সকালে ‘রুজবেহ ভাদি’র মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে ইরানের বিচার বিভাগ নিশ্চিত করেছে।  

মামলার নথি ও ভাদির নিজস্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনি সম্পূর্ণ সচেতনভাবে মোসাদের সাথে সহযোগিতা করছেন। ভাদি ইরানের একটি সংবেদনশীল সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং তার উচ্চস্তরের অ্যাক্সেসের কারণে তিনি ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হন। তাকে সাইবারস্পেসের মাধ্যমে মোসাদে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং তিনি মোসাদ অফিসারদের বিভিন্ন মূল্যায়ন পর্যায়ে অংশ নিয়েছিলেন।

ভাদির পরিচয় যাচাই করার পর, অ্যালেক্স নামে একজন মোসাদ কর্মকর্তা তার উচ্চস্তরের অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে তাকে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিয়ে যান। এর অল্প সময়ের মধ্যেই আরেক এজেন্ট ‘কেভিন’ তার হ্যান্ডলার হিসেবে দায়িত্ব নেয় এবং এভাবেই মোসাদের সাথে তার আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা শুরু হয়।

ভাদির অনুরোধ অনুযায়ী, পুরস্কারভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি ক্রিপ্টো কারেন্সি ওয়ালেটের মাধ্যমে তার অ্যাকাউন্টে মাসিক অর্থ জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাদিকে গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল।

এরপর আসামীকে ভিয়েনা ভ্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়, যেখানে তিনি মোসাদ এজেন্টদের সাথে পাঁচটি গোপন বৈঠক করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে এই বৈঠকগুলো কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে পরিচালিত হয়েছিল।

অস্ট্রিয়ার রাজধানীতে তার ভ্রমণ ও মোসাদ অফিসারদের সাথে সাক্ষাতের সময়, ভাদিকে তার মিশন সম্পর্কে পূর্ণ ব্রিফিং দেওয়া হয় এবং তিনি তেহরানে ফিরে এসে আদেশগুলো কার্যকর করেন।

ভাদিকে সংস্থাগত উন্নয়ন ও প্রাপ্য গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে সাপ্তাহিক রিপোর্ট জমা দিতে হতো। পরিষেবার প্রযুক্তিগত জিজ্ঞাসাবাদের জবাব দেওয়ার পর, তিনি সংশ্লিষ্ট আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেতেন।

ভাদি ইরানের একজন পারমাণবিক বিজ্ঞানী সম্পর্কেও মোসাদকে তথ্য সরবরাহ করেছিলেন, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলের আগ্রাসনে শাহাদাতবরণ করেন।

একটি মিশনের সময় যখন তিনি একজন মোসাদ এজেন্টের সাথে দেখা করছিলেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং পরবর্তীতে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে তার সম্পর্ক নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করে।

এই মামলা ‘গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং ইসরায়েলের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতার’ অভিযোগে আদালতে পাঠানো হয় এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা তদন্ত করা হয়।

ভাদিকে ‘ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যক্রম আইন’-এর ৬ নম্বর ধারা এবং ইরানের ইসলামি দণ্ডবিধির ২৭৯, ২৮৩, ২৮৬ ও ২১১ নং ধারার অধীনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত রায়ে বলেছে, তার কর্মকাণ্ড অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত জাতীয় নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে এবং জনশৃঙ্খলার গুরুতর ব্যাঘাত ঘটিয়েছে।

সূত্রঃ পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ২০১৯ সালেই ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন চেয়েছিল রাশিয়া

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়। ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫

২০১৯ সালে ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক ধরনের ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ দিয়েছিল রাশিয়া—এমন তথ্য সামনে এসেছে সম্প্রতি। সে সময় ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–এর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল মস্কো। বিনিময়ে শর্ত ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে তাদের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন সরিয়ে নেয়।

ঘটনাটি ঘটে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর প্রথম মেয়াদে। তৎকালীন রাশিয়া ও ইউরোপ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ফিওনা হিল মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, রুশ কর্মকর্তারা ভেনেজুয়েলা ও ইউক্রেনকে ঘিরে একটি ‘অদ্ভুত বিনিময় কাঠামো’ প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে অবাধ প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেলে ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর প্রতি সমর্থন ছেড়ে দিতে রাজি ছিল রাশিয়া।

ফিওনা হিল আরও জানান, রুশ কূটনৈতিক ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন বার্তায় ‘মনরো ডকট্রিন’–এর প্রসঙ্গ টেনে এই ধারণা ছড়ানো হয়েছিল। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, তবে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত একাধিকবার এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে হিল স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তখন এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি এবং ইউক্রেন ও ভেনেজুয়েলার বিষয়কে আলাদা হিসেবেই দেখেছিল। সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩২৯৫