মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

বাংলাদেশে পোশাক কারখানা করবে হানডা, ২৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা

বিডা, ভেজা এবং বেপজার সঙ্গে আলোচনায় আমরা আস্থা পেয়েছি। তাই বিনিয়োগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসতে চাই, যা বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করবে

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ০২:২০

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে বড় আকারের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে হংকংভিত্তিক হানডা ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রতিষ্ঠানটি দেশে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৫ কোটি ডলার) বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন হানডা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হান চুন। তিনি জানান, বাংলাদেশে তিনটি কারখানা নির্মাণ করা হবে—দুটি গার্মেন্টস প্রসেসিং ইউনিট এবং একটি নিটিং ও ডাইং ইউনিট। প্রকল্পগুলো চালু হলে প্রায় ২৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

হান চুন বলেন,

“বিডা, ভেজা এবং বেপজার সঙ্গে আলোচনায় আমরা আস্থা পেয়েছি। তাই বিনিয়োগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসতে চাই, যা বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করবে।”

বৈঠকে হান চুন মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে স্থাপিতব্য কারখানার ডিজাইন উপস্থাপন করেন। প্রধান উপদেষ্টা সেটিকে “শিল্পকর্মের মতো একটি সুন্দর ছবি” বলে মন্তব্য করেন।

প্রথম ধাপে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৮০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের চুক্তি বুধবার সই হবে। দ্বিতীয় ধাপের জন্য জমি বরাদ্দ ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে, যা ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক শিল্প। হানডার বিনিয়োগকে শিল্প বিশেষজ্ঞরা এ খাতের জন্য ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহত্তম শিল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এই বিনিয়োগ বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অর্থনীতি

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ছবি :সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:২৯

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় আয়োজন ‘ফার্মা কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কর্মীসংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এখন সীমিত জনবল নিয়েই প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে।

হাইকমিশনার বলেন, বিজনেস ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম আবারও চালু হয়েছে এবং জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ব্যবসায়িক ভিসার জন্য প্রয়োজন হলে আবেদনকারীরা সরাসরি হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সড়কপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও কার্যকর করার দাবি তুলেন।

ভারতের আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শনী ‘সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫’–এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রদর্শনীটি।

অর্থনীতি

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা […]

সরকারি অফিসের হয়রানি কমাবে নতুন ‘অ্যাপ’ : আশিক চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২১

দেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় উদ্যোক্তারা এখনও হয়রানির শিকার হন—এ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বছর থেকে নতুন ডিজিটাল ‘অ্যাপ’ চালু হলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ঘুরাঘুরি ও হয়রানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে সাতদিনব্যাপী জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা উদ্বোধনকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করাই একটি কঠিন কাজ। নিবন্ধন জটিল, সেবা নিতে গেলে সরকারি অফিসে হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এসব সমস্যা কমাতে আগামী বছর থেকেই উদ্যোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে তিনি শিল্প উপদেষ্টা, বিসিক ও বিভিন্ন শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা মেলায় অংশ নিয়েছে প্রায় ৪০০ এসএমই প্রতিষ্ঠান।

বক্তারা জানান, এসএমই খাতে বর্তমানে সুদহার ১৫ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে বেশি। এনজিও থেকে ঋণ নিলে সুদ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হয়, ফলে উদ্যোক্তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়। তারা বলেন, এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু হলেও বাস্তবে এটি পরিচালনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে নির্বাচনের কারণে সব খাতেই স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে এসএমই–খাতে ঋণ কমছে। ব্যাংক খাতে এখন দেড় লাখ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। বক্তারা মনে করেন, চাহিদা বাড়লেই অর্থনীতির চাকা আবার সচল হবে।

এসময় রপ্তানির জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউসের কঠোর প্রক্রিয়া এসএমই খাতের জন্য আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়।