বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান দল থেকে পদত্যাগ করেছেন—এমন গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও তা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি।
রোববার (১৩ জুলাই) এক প্রতিক্রিয়ায় মনির খান বলেন, “আমি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করিনি। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ২০১৮ সালের একটি পুরোনো ঘটনার অপব্যাখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি দাবি করেন, “এই অপপ্রচার রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা। আমি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী, সেটাই অনেকের সহ্য হচ্ছে না। এ কারণেই আমাকে নিয়ে বারবার ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো হয়।”
মনির খান বলেন, “আমি দলের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সংগীত অঙ্গনে চার দশকের বেশি সময় ধরে সক্রিয় এই শিল্পী ৪২টিরও বেশি একক অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। তিনি বলেন, “গানের মঞ্চে যেমন আমি সরব, তেমনি রাজনীতির ময়দানেও সক্রিয় থাকতে চাই।”
রাজনৈতিকভাবে মনির খানের জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক তৎপরতা আগামী নির্বাচনে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনায় আনতে পারে বলে বিএনপির একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি দেখা গেলেও মনির খানের সরাসরি বক্তব্যে সেই বিভ্রান্তি কাটতে শুরু করেছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বক্তব্যকেই গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছেন।