সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী সপ্তাহে তারেক রহমান যদি বলেন আমি নির্বাচন চাই, নির্বাচন ডিসেম্বরেই হবে : মাসুদ কামাল

দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগাম নির্বাচন ঘিরে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা কঠিন, কারণ সরকারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সুবিধাভোগীরা বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে তার মতে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি অনলাইন টকশো “ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দিন”-এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:২৮

দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগাম নির্বাচন ঘিরে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা কঠিন, কারণ সরকারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সুবিধাভোগীরা বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে তার মতে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্প্রতি অনলাইন টকশো “ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দিন”-এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মাসুদ কামাল বলেন, “নির্বাচন কবে হবে সেটা বলা মুশকিল। কারণ এই সরকারের সাথে যারা রয়েছেন, তারা একেকজন একেক কথা বলেন। আবার যারা সুবিধাভোগী অবস্থানে আছেন, তাদের অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি নির্বাচন সম্ভব।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত যে সরকারগুলো এসেছে, তাদের মধ্যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সবচেয়ে ভাগ্যবান। তারা দেশের মাঠে থাকা সব রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নিঃশর্ত সমর্থন পেয়েছে। এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও এমন সর্বদলীয় সমর্থন ছিল না। এই অনন্য সমর্থনের সুযোগ নিয়ে সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু মহল এখন নানা কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।”

টকশোতে তিনি আরও বলেন, “এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ফর্মুলেশন চলছে। কেউ বলছেন সরকার থাকবে ৩ বছর, কেউ বলছেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত। আবার কেউ বলছেন, জাতীয় সরকার হবে—সেখানে প্রধান উপদেষ্টা থাকবেন ড. ইউনূস এবং উপ-প্রধান উপদেষ্টা হবেন তারেক রহমান। এ ধরনের জল্পনা-কল্পনা প্রতিনিয়ত আমরা শুনছি।”

তার মতে, “যতক্ষণ না সব রাজনৈতিক দল সরকারের পক্ষে অবস্থান নেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ড. ইউনূসের সরকার একটি চাপে থাকবে। সাপোর্ট না থাকলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়বে, আর সেই চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষমতা এই সরকারের নেই।”

মাসুদ কামাল বলেন, “যদি আগামী সপ্তাহে তারেক রহমান এসে বলেন—আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, আমি ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই, তাহলে আপনি ধরে নিতে পারেন—ডিসেম্বরেই নির্বাচন হবে। কারণ ড. ইউনূস সে ধরনের রিস্ক নেবেন না। তিনি জানেন, রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা না হলে সরকার টিকিয়ে রাখা অসম্ভব।”

অনুষ্ঠানে তার এ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে, সব রাজনৈতিক দলের “সমর্থনের ব্যাখ্যা” এবং “তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভূমিকা” নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও নানা মতামত ঘুরে বেড়াচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এই পর্বে সংবিধান, জাতীয় ঐকমত্য, নির্বাচনের সময়সূচি ও আন্তর্জাতিক চাপ—এই চারটি বিষয়ের দিকেই সবার নজর রয়েছে। আর মাসুদ কামালের মন্তব্যে এসব বিষয়ই আরও গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

এই মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অবস্থান ঘিরে যেমন অনিশ্চয়তা রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ফর্মুলা নিয়ে গুঞ্জনও জোরালো হচ্ছে। আর এসবের মাঝেই ড. ইউনূস সরকারের কৌশল ও টিকে থাকার সামর্থ্য এখন মূল প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৫

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৫

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩২৮