বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী সপ্তাহে তারেক রহমান যদি বলেন আমি নির্বাচন চাই, নির্বাচন ডিসেম্বরেই হবে : মাসুদ কামাল

দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগাম নির্বাচন ঘিরে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা কঠিন, কারণ সরকারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সুবিধাভোগীরা বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে তার মতে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি অনলাইন টকশো “ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দিন”-এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:২৮

দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগাম নির্বাচন ঘিরে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা কঠিন, কারণ সরকারের ভেতরে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সুবিধাভোগীরা বিভক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে তার মতে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্প্রতি অনলাইন টকশো “ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দিন”-এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মাসুদ কামাল বলেন, “নির্বাচন কবে হবে সেটা বলা মুশকিল। কারণ এই সরকারের সাথে যারা রয়েছেন, তারা একেকজন একেক কথা বলেন। আবার যারা সুবিধাভোগী অবস্থানে আছেন, তাদের অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি নির্বাচন সম্ভব।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত যে সরকারগুলো এসেছে, তাদের মধ্যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সবচেয়ে ভাগ্যবান। তারা দেশের মাঠে থাকা সব রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নিঃশর্ত সমর্থন পেয়েছে। এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও এমন সর্বদলীয় সমর্থন ছিল না। এই অনন্য সমর্থনের সুযোগ নিয়ে সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু মহল এখন নানা কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।”

টকশোতে তিনি আরও বলেন, “এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ফর্মুলেশন চলছে। কেউ বলছেন সরকার থাকবে ৩ বছর, কেউ বলছেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত। আবার কেউ বলছেন, জাতীয় সরকার হবে—সেখানে প্রধান উপদেষ্টা থাকবেন ড. ইউনূস এবং উপ-প্রধান উপদেষ্টা হবেন তারেক রহমান। এ ধরনের জল্পনা-কল্পনা প্রতিনিয়ত আমরা শুনছি।”

তার মতে, “যতক্ষণ না সব রাজনৈতিক দল সরকারের পক্ষে অবস্থান নেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত ড. ইউনূসের সরকার একটি চাপে থাকবে। সাপোর্ট না থাকলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়বে, আর সেই চাপ সামাল দেওয়ার ক্ষমতা এই সরকারের নেই।”

মাসুদ কামাল বলেন, “যদি আগামী সপ্তাহে তারেক রহমান এসে বলেন—আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, আমি ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই, তাহলে আপনি ধরে নিতে পারেন—ডিসেম্বরেই নির্বাচন হবে। কারণ ড. ইউনূস সে ধরনের রিস্ক নেবেন না। তিনি জানেন, রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা না হলে সরকার টিকিয়ে রাখা অসম্ভব।”

অনুষ্ঠানে তার এ মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে, সব রাজনৈতিক দলের “সমর্থনের ব্যাখ্যা” এবং “তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভূমিকা” নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও নানা মতামত ঘুরে বেড়াচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এই পর্বে সংবিধান, জাতীয় ঐকমত্য, নির্বাচনের সময়সূচি ও আন্তর্জাতিক চাপ—এই চারটি বিষয়ের দিকেই সবার নজর রয়েছে। আর মাসুদ কামালের মন্তব্যে এসব বিষয়ই আরও গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

এই মুহূর্তে দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অবস্থান ঘিরে যেমন অনিশ্চয়তা রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ফর্মুলা নিয়ে গুঞ্জনও জোরালো হচ্ছে। আর এসবের মাঝেই ড. ইউনূস সরকারের কৌশল ও টিকে থাকার সামর্থ্য এখন মূল প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪