সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বাংলাদেশ আগামী ২০ বছর অরাজকতার মধ্যে দিয়ে যাবে : রুমিন ফারহানা

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের আয়োজিত টক শোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি “অরাজকতার” মধ্যে দিয়ে যাবে। তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, সামনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তিনি খুব পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছেন না। তিনি মনে করেন, আগামী দিনগুলোতে একটি নির্বাচন হবে এবং […]

বাংলাদেশ আগামী ২০ বছর অরাজকতার মধ্যে দিয়ে যাবে : রুমিন ফারহানা

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ১১:৫০

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের আয়োজিত টক শোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি “অরাজকতার” মধ্যে দিয়ে যাবে।

তিনি এই বিষয়টি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, সামনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তিনি খুব পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছেন না। তিনি মনে করেন, আগামী দিনগুলোতে একটি নির্বাচন হবে এবং একটি দল ক্ষমতায় আসবে।

এরপর পাঁচ বছর পর আরেকটি নির্বাচন হবে এবং হয়তো কোনো একটি দল ক্ষমতায় আসবে বা আগের দলটি আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসবে। তিনি এটাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা গত ১৫ বছর ধরে রাজনীতিকে নোংরা করে ফেলেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি রাখেনি। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে, এর আগেও বাংলাদেশের রাজনীতি খুব ভালো ছিল না, কিন্তু গত ১৫ বছরে রাজনীতি একেবারে ঝেটিয়ে বিদায় করা হয়েছে।

এর পরিবর্তে ব্যবসায়ীরা, প্রশাসন, সিভিল ও মিলিটারি ব্যুরোক্রেসি রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছে। তিনি বলেন, এই বিষয়গুলো সাহস করে কেউ বলবে না, কিন্তু তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, যখন এতগুলো স্টেকহোল্ডার রাজনীতিতে জড়িত থাকে, তখন রাজনীতিবিদদের ভূমিকা অনেক ছোট হয়ে যায়।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, যদি আমরা মনে করি যে, পাঁচ বছর পর পর সুবর্ণ দিন আসবে এবং বাংলাদেশ দারুণ নির্বাচন প্রসব করবে, তাহলে আমরা ভুল করছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আট কোটি ভোটার যদি মনে করে যে তারা লাফিয়ে লাফিয়ে গিয়ে ভোট দিতে পারবে, তাহলে তা হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আগামী ১০ থেকে ১৫ বছর, এমনকি ২০ বছরও একটি অরাজকতার মধ্যে দিয়ে যাবে। তিনি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন যে, রাজনীতিবিদরা এই শক্তিগুলোকে পরাস্ত করতে পারবে না। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা পরাস্ত করার ইচ্ছা রাখলেও তা সম্ভব হবে না, কারণ এতে আবারও ফ্যাসিবাদ বা সৈরশাসন কায়েম হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরোধী দলের অবস্থা খুবই নাজুক হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে সরকারি দল এবং বিরোধী দল উভয়েরই সুস্থ ধারায় ফিরে আসা প্রয়োজন।

তবে তিনি মনে করেন, এই প্রক্রিয়া অনেক সময়সাপেক্ষ হবে। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের মধ্যে এখন ঐক্যের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে বিভাজন আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিচার, সংসার এবং নির্বাচন—এই তিনটি বিষয়ে বিভাজন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যমত না হলে বাংলাদেশ অরাজকতার মধ্যে পড়বে। তিনি শেষে বলেন, যদি ঐক্যমত না হয়, তাহলে নির্বাচন হলেও বাংলাদেশ অরাজকতার মধ্যে পড়বে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৫৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩০