রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুই মাসব্যাপী প্ল্যান্ট ডক্টর কোর্স সম্পন্ন

শেকৃবি প্রতিনিধি: আধুনিক কৃষিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ই-কৃষি ক্লিনিক আয়োজিত দুই মাসব্যাপী প্ল্যান্ট ডক্টর কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪:৩০টায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কনফারেন্স রুমে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কোর্সের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভূমিকা রাখে ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড। সমাপনী অনুষ্ঠানের আগে দুপুর ২টায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য ফিল্ড […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:০৯

শেকৃবি প্রতিনিধি:

আধুনিক কৃষিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ই-কৃষি ক্লিনিক আয়োজিত দুই মাসব্যাপী প্ল্যান্ট ডক্টর কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪:৩০টায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) কনফারেন্স রুমে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কোর্সের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ ভূমিকা রাখে ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড।

সমাপনী অনুষ্ঠানের আগে দুপুর ২টায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য ফিল্ড ট্যুর আয়োজন করা হয়, যেখানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ঢাকা কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের (এটিআই) শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে শিক্ষার্থীরা মাঠ পর্যায়ে উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব, নিরাপদ কৃষি চর্চা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবির প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ই-কৃষি ক্লিনিকের এডভাইজার ও শেকৃবির উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক আবু নোমান ফারুক আহম্মেদ, ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেডের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক তৌহিদ ইসলাম এবং ই-কৃষি ক্লিনিকের চীফ অপারেটিং অফিসার কৃষিবিদ আফরা নাওয়ার।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ই-কৃষি ক্লিনিকের চীফ এডভাইজার ও শেকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোঃ সোলায়মান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ মোঃ মেরাজ হোসেন।

অনুষ্ঠানে ই-কৃষি ক্লিনিকের চীফ এডভাইজার ড. সোলায়মান এবং এডভাইজার অধ্যাপক আবু নোমান ফারুক আহম্মেদকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া শেকৃবির অনামিকা আক্তারকে ‘বেস্ট ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসাডর’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. বেলাল হোসেন বলেন,

“কৃষিতে ইন্টার্নশিপ অত্যন্ত জরুরি। ই-কৃষি ক্লিনিক সে অভাব পূরণের চেষ্টা করছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমরা ইন্টার্নশিপ চালুর উদ্যোগ নিয়েছি, আশা করি শীঘ্রই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে ড. সোলায়মান বলেন,

“তরুণরা চাকরি করবে নাকি চাকরি দেবে, সে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে। ই-কৃষি ক্লিনিকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষ করে তুলছে এবং অন্যদের জন্য সুযোগ তৈরি করছে, যা কৃষি খাতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ।”

ই-কৃষি ক্লিনিকের কো-ফাউন্ডার কৃষিবিদ মোঃ মমিন সরকার জানান, “দক্ষ কৃষিবিদ গড়ে তুলতে বড় বাধা হলো ইন্টার্নশিপের অভাব। এতে শিক্ষার্থীরা চাকরির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে এবং কৃষক পর্যায়েও পর্যাপ্ত সেবা পৌঁছাচ্ছে না। তাই পাবলিক ও প্রাইভেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এটিআই শিক্ষার্থীদের জন্য এ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই দুই মাসব্যাপী কোর্সে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের ৩৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ কোর্সে ১৪টি ফসল, বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা, সার প্রয়োগ, গ্লোবাল গ্যাপ ও নিরাপদ কৃষি চর্চা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ১২ জন দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।”

কৃষিতে ইন্টার্নশিপের অভাবের কারণে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তাদের কর্পোরেট চাকরি ও মাঠ পর্যায়ের বাস্তব কাজ উভয় ক্ষেত্রেই পিছিয়ে দিচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ‘প্ল্যান্ট ডক্টর কোর্স’ চালু করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা অনলাইন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সরাসরি মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে একদল তরুণ কৃষিবিদের নেতৃত্বে ‘ফসল আপনার, দায়িত্ব আমাদের’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ই-কৃষি ক্লিনিক। নিরাপদ কৃষি চর্চা ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান। প্ল্যান্ট ডক্টর কোর্সসহ নানাবিধ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে ই-কৃষি ক্লিনিক।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।