শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না, নির্বাচন দিতে হবে : আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করে ষড়যন্ত্র চলবে না। সবাই ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এখানে মাঝখানে কেউ এসে খেলাধুলা করবেন, […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১৯

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর কোনো স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করে ষড়যন্ত্র চলবে না। সবাই ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে। এখানে মাঝখানে কেউ এসে খেলাধুলা করবেন, ভোট পিছিয়ে দেবেন, বিলম্বিত করবেন, সেসব চেষ্টা করে লাভ হবে না।

সোমবার বিকেলে নগরীর মাঝিরঘাট এলাকায় মহানগর শ্রমিক দলের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্ল্যাহসহ শ্রমিক দলের নেতারা।

আমীর খসরু বলেন, শ্রমিকদের অনেক সমস্যা আছে, মিল, কারখানা ও বন্দরে সমস্যা আছে। আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমরা সকল শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করব। ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবে শ্রমিকদের সমস্যার কথা পরিষ্কার ভাবে বলা হয়েছে ও সমাধানের কথা বলা হয়েছে।

বিগত ফ্যাসিস্টদের পতনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রবর্তন করা জানিয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে বাংলাদেশে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে যাবেন, সরকার গঠন করবেন, যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ও জবাবদিহি থাকবে। শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল সে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ ছিল না। জনগণের কাছে জবাবদিহি ছিল না। কারণ সে অনির্বাচিত, সে দখলবাজ ও স্বৈরাচার। বিএনপির বার্তা পরিষ্কার- বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরাচারকে ক্ষমতা দখল করে থাকতে দেব না। স্বৈরাচার বহুরূপে আছে। অনেকে ভোট নিয়ে স্বৈরাচার হয়ে যায়, ভোট নেওয়ার আগে স্বৈরাচার হয়ে যায়। অনেকে আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে স্বৈরাচার হয়ে যায়। কোনো স্বৈরাচার আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশের আজকে গণতন্ত্রের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এগুলো ঠেকিয়ে আবার বহুরূপে ভিন্নরূপে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তারি করলে সেটা চলবে না। আগেভাগে বলে দিচ্ছি, বড় বড় স্বৈরাচারকে বাংলাদেশের মানুষ বিতাড়িত করেছে। ওই প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন রূপে , বহুরূপীভাব দিয়ে আর স্বৈরাচারকে আমরা থাকতে দিব না। ভোট দিতে হবে, নির্বাচন দিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে।

সমস্ত আন্দোলন বাংলাদেশে হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছে গণতন্ত্রের জন্য। আজ সেই গণতন্ত্র অপেক্ষায় আছে, ভোটাধিকার ও মানবাধিকার অপেক্ষায় আছে। জীবনের নিরাপত্তা মানুষ চায়। সুতরাং কিছু মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে, সেটা কি জনগণ গ্রহণ করবে? যত সংস্কারের প্রয়োজন তত সংস্কার বাংলাদেশের সংসদে বিএনপি এবং আমাদের সহযোগী দল করবে। ৩১ দফার মধ্যে সব সংস্কার অর্ন্তনিহিত আছে। জনগণের রায় দিয়ে সংসদে আমরা সেসব সংস্কার করব। এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তি হয় নাই, উনারা বসে সংস্কার করবেন আর বাংলাদেশ ৪০/৫০ বছর এভাবে চলবে। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত সংস্কার হতে হবে। সংস্কারের দোহাই দিয়েন না জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা নির্বাচনী সংস্কারটা করেন। আর কোনো সংস্কার করা কারও কোনো অধিকার নাই। জনগণের রায় নিতে হবে নির্বাচনের মাধ্যমে। অন্য কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে না।

আমীর খসরু বলেন, জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে থাকার চেষ্টা করলে বাংলাদেশের জনগণ সেটা মেনে নেবে না। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। জনগণের প্রতিনিধিরাই সংসদে যাবেন। যারা জনগণের কাছে যাবেন না তারা আগামীর বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। নির্বাচনী হাওয়া শুরু হয়ে গেছে। এ হাওয়া কেউ বন্ধ করতে পারবে না। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন ও সংসদ চায়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৩৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৬০