মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সালমানের দুর্নীতি করে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৪, ২৩:১৮

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশে বিপুল অঙ্কের অর্থ পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নানা সময় বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এতদিন পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকার সালমান এফ রহমানের পাচারের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত— নিয়েছে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সালমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে অচিরেই চিঠি দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটকে (বিএফআইইউ) বলা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত নতুন সরকার পাচার করা টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাবেক সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নানা পর্যায়ের নেতাদের বিষয়ে তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে তাদের সম্পদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে। বিএফআইইউ থেকে এসব বিষয়ে অচিরেই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

গত ২০০৬ সালে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতিবিরোধী টাস্কফোর্সের তদন্তে সালমান এফ রহমানের নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে লন্ডনে একটি ব্যাংকে তার নামে ৩৫০ কোটি ডলারের একটি আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। দেশ থেকে পাচার করা অর্থ তিনি ওই ক্রেডিট কার্ডে রেখেছিলেন।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে সালমান এফ রহমান ও তার স্বার্থসংশ্লিস্ট কোম্পানির নামে বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। ওইসব প্রতিবেদন এখন বের করে পাচার তথ্য সমন্বয় করা হচ্ছে। তিনি কোন দেশে অর্থ পাচার করেছেন, তা কী কাজে ব্যবহার হয়েছে সেসব তথ্যও অনুসন্ধান করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ দেশ থেকে বিভিন্নভাবে সম্পদ পাচার করেছেন। এর মধ্যে পণ্য আমদানির এলসি খুলে বৈদেশিক মুদ্রায় দেনা শোধ করেছেন ব্যাংকের মাধ্যমে কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। পণ্য আমদানি করা হয়েছে, কিন্তু পণ্য দেশে আসেনি। এর মাধ্যমেই দেশ থেকে বেশি টাকা পাচার হয়েছে। সরকারি একটি ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো গ্র“পের প্রতিষ্ঠানের এলসি খোলার দেনা শোধ করা হয়। কিন্তু এর বিপরীতে কোনো পণ্য দেশে আসেনি বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। বেসরকারি একটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে পণ্য রপ্তানি হলেও রপ্তানি মূল্যের ডলার দেশে আসেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্তে এসব ঘটনা ধরা পড়ার পরও রাজনৈতিক চাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জোরালো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সূত্র জানায়, টানা ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। ওই সময়ে শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে তার ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। যে ব্যাংক থেকে যেভাবে খুশি ঋণ নিয়েছেন। ঋণের টাকা কখনো পরিশোধ করেননি। পরিশোধের সময় এলে আবার নতুন করে ঋণ নিয়েছেন। এভাবে শুধু সরকারি খাতের জনতা ব্যাংক থেকেই ঋণ নিয়েছেন ২৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে একটি অংশ আমদানির এলসির নামে বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। তার বিভিন্ন কোম্পানির নামে শিল্পের যন্ত্রপাতি আনার ক্ষেত্রে মূল্য বেশি দেখিয়ে ও ঘোষিত পণ্যের চেয়ে কম পণ্য দেশে এনে সবচেয়ে বেশি টাকা পাচার করেছেন। আরও একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ওই টাকার একটি অংশ বিদেশে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, পাচার টাকার একটি বড় অংশ রয়েছে বেলারুশসহ কয়েকটি দেশে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তার পাচার করা অর্থের সন্ধান পেয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ভারত ও নেপালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ওইসব দেশেও তিনি অর্থ পাচার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বিএফআইইউ বিশেষ করে এগমন্ট গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে তথ্য চাইবে। দেশগুলোর আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের সমন্বয়ে এগমন্ট গ্রুপ গঠিত। বাংলাদেশ ওই গ্রুপের সদস্য। এর সদস্য দেশগুলো পরস্পরের সঙ্গে মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। বাংলাদেশ এগমন্ট গ্রুপের কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লে­খ করে চিঠি দেবে। এগমন্ট গ্রুপ ওই চিঠি তার সদস্য দেশগুলোতে পাঠাবে। ওইসব দেশ তথ্য আবার এগমন্ট গ্রুপকে জানাবে। পরে এগমন্ট গ্রুপ তা বাংলাদেশকে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় সালমান রহমানের পাচার করা সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সূত্র জানায়, সালমান এফ রহমানের নামে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা সম্পদের বিষয়ে এখন বিএফআইইউ নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করছে। প্রাথমিকভাবে ওইসব তথ্য পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি দেওয়া হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪