সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি  আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (বিওয়াইডিসি) আয়োজিত ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ বুটেক্স ক্যাম্পাসে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনে দেশের ৩৫টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২১:২১

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি 
আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (বিওয়াইডিসি) আয়োজিত ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ বুটেক্স ক্যাম্পাসে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনে দেশের ৩৫টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সুযোগ করে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিওয়াইডিসি  এর সভাপতি মো: সাকিব আহমেদের সভাপতিত্বে বিওয়াইডিসি এ বছর অলিম্পিয়াড আয়োজন করে, যেখানে প্রায় ৬০০ এর অধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে আবেদন করেন।
এই অলিম্পিয়াডকে সফল করতে বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী ইভেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের মধ্য থেকে দশজনকে শ্রেষ্ঠ ইভেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতাটি চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে: টেক্সটাইল কেইস প্রতিযোগিতা, টেক্সটাইল কুইজ প্রতিযোগিতা (বহুনির্বাচনি ও ভাইভা), টেক্সটাইল পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং টেক্সটাইল কনটেন্ট রাইটিং। টেক্সটাইল কুইজ প্রতিযোগিতাটি আবার দুটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত ছিল। জুনিয়র ক্যাটাগরিতে প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা এবং সিনিয়র ক্যাটাগরিতে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা এক বা একাধিক ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন । সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অকো-টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো: আবদুস সোবহান সিআইপি ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মইদুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাবেরী মজুমদার, ক্লাবটির মডারেটর ড. মোহাম্মদ ইমদাদ সরকার এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
প্রতিটি বিভাগে অংশগ্রহণকারীরা তাদের প্রতিভা ও দক্ষতার প্রমাণ দেন। অলিম্প্যাডে পোস্টার প্রেজেন্টেশন ক্যাটাগরিতে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে টিম টুইস্ট, টিম নেক্সাস ও টিম সেফায়াজ স্কোয়াড। কেইস কম্পিটিশনে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করে যথাক্রমে বুটেক্সের টিম স্মল কাউন্সিল, ভিভেরে ও সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের  ফাইবার ফোরস। কন্টেন্ট রাইটিং কম্পিটিশনে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে বুটেক্সের তাহাসিন প্রীতি, গভ. কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সাইন্স এর নেহা ও বুটেক্সের রুবায়েত জাহান। কুইজ প্রতিযোগিতায় সিনিয়র ও জুনিয়র ক্যাটাগরতে প্রথম হয়েছেন বুটেক্সের দুইজন শিক্ষার্থী যথাক্রমে আফিয়া ইসলাম সামিরা ও সাদিক হাসান পাবন।
ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারেক হোসেন বলেন, বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব সাধারণত শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে কাজ করে থাকে। যদিও এই ক্লাবের যাত্রা ২০২৩ সালে, মাত্র এক বছরেই ক্লাবটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল রিলেটেড কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পৌছে গেছে। গত বছর আমরা বুটেক্সসহ ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সটাইল কলেজ নিয়ে একটি ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড এর আয়োজন করি। অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজকে ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রোগ্রামে ৫টি সেগমেন্ট রাখা হয়েছে। আর সব সেগমেন্টের চূড়ান্ত পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়াও বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব শিক্ষার্থীরা কিভাবে তাদের পরবর্তী পেশাগত জীবনে ভালো করতে পারবে সেটা নিয়েও কাজ করে থাকে। বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব বিশ্বাস করে এই ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াডটি অন্যান্য অলিম্পিয়াডের মতো ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখবে।

শিক্ষাঙ্গন

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসু থেকে পদত্যাগ করলেন সর্বমিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ২৫–৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে যাওয়া প্রায় ২৫–৩০ জন কিশোর-তরুণকে কানে ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী-২ নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ফেসবুক গ্রুপে দেওয়া পোস্টে এমন তথ্য জানিয়েছেন সর্বমিত্র নিজেই। এসময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়ামে শিক্ষার্থীদের কান ধরে ওঠবস করানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন।

পোস্টে সর্বমিত্র লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তার অভিযোগ, বহিরাগতরা নিয়মিতভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিপরীত পাশের দেয়াল টপকে প্রবেশ করে। তাদের একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা তা অগ্রাহ্য করেছে। নিষেধ করতে গেলে তারা উল্টো স্টাফদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে পালিয়ে যায়—যা একটি চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত বহন করে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীরা বারবার অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান না আসায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক ক্রমেই বাড়তে থাকে।

প্রশাসনিক ব্যর্থতা উল্লেখ করে সর্বমিত্র বলেন, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে উঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি—এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

সর্বশেষ পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারো প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে, আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শিক্ষাঙ্গন

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র। ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’ রাত ১২টা […]

ভাষা শহিদদের প্রতি সাদিক কায়েম-ফরহাদদের শ্রদ্ধা, ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র চাকমার ক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭

শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) বিটিভির সৌজন্যে পাওয়া শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের লাইভ অনুষ্ঠানের একটি স্ক্রিনশট ফেসবুকে শেয়ার করেন সর্ব মিত্র।

ওই পোস্টে তিনি ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন, ‘হেমা চাকমা, ফাতেমা তাসনিম জুমা, সর্ব মিত্র চাকমা, রাফিয়া, উম্মে সালমা and others আমরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের বদৌলোতে জানলাম ডাকসু শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেছে, হাহা!’

রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে দেয়া পোস্টটিতে এক ঘণ্টায় প্রায় ৬ হাজারের মতো রিঅ্যাকশন পড়েছে। আর কমেন্ট করা হয়েছে দুইশ’র বেশি। এসব কমেন্টে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের সমালোচনা করেছেন। বিষয়টিকে ডাকসু সদস্যদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল হিসেবে দেখছেন কমেন্টকারীরা।

সর্ব মিত্রের স্ক্রিনশটটিতে দেখা যায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ ছাড়াও আরও কয়েকজন মিলে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

হাদিকে জংলি আখ্যা দেওয়া ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি ছাত্রীদের

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘জংলি’ বলে কটূক্তি করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার […]

হাদিকে জংলি আখ্যা দেওয়া ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি ছাত্রীদের

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘জংলি’ বলে কটূক্তি করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক আলতাফ হোসেন শরিফ ওসমান হাদিকে কটূক্তিমূলকভাবে ‘জংলি’ আখ্যা দেন।

ওই পোস্টে তিনি রাজনৈতিক সহিংসতা ও গণমাধ্যমে হামলার ঘটনাগুলোর সঙ্গে হাদির নাম জড়িয়ে মন্তব্য করেন, যা শিক্ষার্থীদের মতে চরম অবমাননাকর ও উসকানিমূলক।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এতে লেখা ছিল—‘হাদিকে যিনি জংলি বলেন, তিনি নিজেই জঞ্জাল’, ‘আপনি জংলি কাকে বলেন? জুলাই যোদ্ধাকে?’, ‘হাদি ভাইয়ের মতো আমরা সবাই জংলি, এই জঙ্গলে আমরা এমন শিক্ষক চাই না’—ইত্যাদি।

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অধ্যাপক আলতাফ হোসেনের স্থায়ী বহিষ্কার নিশ্চিত করা, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শিক্ষকদের অপতৎপরতা বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা,

ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা এবং শহীদ আবরার ফাহাদ ও শহীদ ওসমান হাদির নামে হল বা স্থাপনার নামকরণ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা একজন বিপ্লবীকে ‘জংলি’ বলা শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং দেশের জন্য আত্মত্যাগ ও জাতির সম্মানকে অপমান করার শামিল। তারা দাবি করেন, যিনি জাতির বিবেক গঠনের দায়িত্বে আছেন, তাঁর কাছ থেকে এমন ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এসব ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ক্যাম্পাসে আবারও ফ্যাসিবাদী মানসিকতা মাথাচাড়া দিতে পারে।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত শিক্ষক আলতাফ হোসেন বর্তমানে স্কটল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।