মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনায় বজ্রনিরোধক যন্ত্র অকার্যকর, ৬ বছরে ৬২ জন নিহত

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সময়ের সাথে সাথে হাওরাঞ্চল নেত্রকোনায় বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়েছে। গত ছয় বছরে জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ৬২জন মানুষ মারা গেছেন। হাওর পাড়ের মানুষদের সুরক্ষায় সরকার বজ্রনিরোধক প্রকল্প হাতে নেয়। এসব বজ্রনিরোধক দণ্ড অপরিকল্পিত স্থাপন ও মানহীন যন্ত্রাংশ ব্যবহারে অল্প দিনেই বিকল হয়ে গেছে। মুখথুবরে পড়েছে প্রকল্পটি। তবে স্থানীয়দের দাবী, এতো প্রাণহানির […]

নেত্রকোনায় বজ্রনিরোধক যন্ত্র অকার্যকর, ৬ বছরে ৬২ জন নিহত

ছবি সংগৃহিত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৩৪

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সময়ের সাথে সাথে হাওরাঞ্চল নেত্রকোনায় বজ্রপাতের তীব্রতা বেড়েছে। গত ছয় বছরে জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ৬২জন মানুষ মারা গেছেন। হাওর পাড়ের মানুষদের সুরক্ষায় সরকার বজ্রনিরোধক প্রকল্প হাতে নেয়। এসব বজ্রনিরোধক দণ্ড অপরিকল্পিত স্থাপন ও মানহীন যন্ত্রাংশ ব্যবহারে অল্প দিনেই বিকল হয়ে গেছে। মুখথুবরে পড়েছে প্রকল্পটি। তবে স্থানীয়দের দাবী, এতো প্রাণহানির পরও সরকার কৃষকদের নিরাপত্তায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বজ্রনিরোধক দণ্ড নির্মাণের নামে লুটপাট হয়েছে অর্থ। দেশের অন্যতম খাদ্য উৎপাদনকারী অঞ্চলে কৃষকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত টেকসই পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি হাওরবাসীর। 

জানা গেছে, নাসা ও মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নেত্রকোনাকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বজ্রপাত প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর গত ছয় বছরে ৬২জনের মৃত্যু হয়। তবুও উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি সরকার। অকার্যকর “লাইটনিং অ্যারেস্টার” (বজ্রনিরোধক দণ্ড) আর অস্তিত্বহীন “তালগাছ” প্রকল্পের আড়ালে অরক্ষিতই রয়ে গেছে দেশের অন্যতম এই খাদ্যভাণ্ডার অঞ্চলের জনপথ। মাঠজুড়ে পাকা ধান, তবুও আতঙ্কে শ্রমিকরা। বর্তমানে হাওরজুড়ে সোনালি ফসল বোরো ধানের সমারোহ। বাধ্য হয়েই মাঠে নামছেন কৃষকরা। মৃত্যু ভয় নিয়েই যাচ্ছেন ফসল ঘরে তুলতে। প্রায় প্রতিদিন কোনো না কোনো হাওরে বজ্রপাত হচ্ছে।

প্রশাসন ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, নেত্রকোনায় বজ্রপাতে ২০২০ সালে ৮জন, ২০২১ সালে ১৫জন, ২০২২ সালে ৩জন, ২০২৩ সালে ১২জন, ২০২৪ সালে ৮জন ও ২০২৫ সালে ১৬জন প্রাণ হারিয়েছেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মারা গেছেন আরও ৩ জন। কিন্তু এর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশী বলে দাবি স্থানীয়দের। এসব এলাকায় ধান কাটার মৌসুমে এপ্রিল ও মে মাসেই বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরে বজ্রপাত জনিত মৃত্যু কমাতে ২০২২ সালে নেত্রকোনা জেলায় ৩২টি “লাইটনিং অ্যারেস্টার” (বজ্রনিরোধক দণ্ড) স্থাপন করা হয়। প্রতিটি দণ্ড স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছিল দেড় লাখ থেকে দুই লাখ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী দণ্ডগুলো হাওরে বা খোলা প্রান্তরে স্থাপন করার কথা। এছাড়াও বজ্রপাত প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে সরকার দেশজুড়ে তালগাছ রোপণের প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের আওতায় নেত্রকোনাও তালগাছ রোপণ করা হয়।

জেলার মদন উপজেলার মাঘান গ্রামের খন্দকার সোহাগ, গোবিন্দশ্রীর আব্দুল হোসেন, খালিয়াজুরী উপজেলার বোয়ালী গ্রামের হদুল মিয়া, ইছাপুরের সুরঞ্জন, সাতগাওয়ের ইকবাল জগন্নাথপুরের এনায়েত কবির, আসাতপুরের পলাশ মাহমুদ সহ অনেকের সাথে কথা হয়। তারা বলেন, বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করার কথা হাওরের ফাঁকা জায়গায়। কিন্তু অধিকাংশ বজ্র নিরোধক দন্ড বসানো হয়েছে বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন কিংবা জনবসতিপূর্ণ এলাকায়। এগুলো স্থাপনের মাত্র দুই বছরের মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অধিকাংশ যন্ত্রই এখন অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। অনেক স্থানে স্থাপিত দণ্ডগুলোর যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেছে অথবা বিকল হয়ে স্রেফ খুঁটি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

তালগাছ রোপন প্রকল্পের বিষয়ে তারা আরও বলেন, রোপণকৃত চারাগুলোর বেশিরভাগই পরিচর্যার অভাবে মারা গেছে। ফলে কয়েক কোটি টাকার এই উদ্যোগও মুখ থুবড়ে পড়েছে। 

স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দ্রুত এই অকার্যকর দণ্ডগুলো মেরামত করে হাওরের প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পুনস্থাপন করা হোক। তাহলে প্রাণহানির নিয়ন্ত্রণ হবে।

জনবসতি এলাকায় অধিকাংশ বজ্রনিরোধক নির্মাণের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, বজ্রনিরোধক দণ্ডে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় না ফলে এটি সাধারণত নষ্ট হয় না। দাঁড়ানো থাকলেই হয়। বজ্রনিরোধক দণ্ডে ম্যাগনেট থাকে এর মাধ্যমে ৩০০ফুট এরিয়া কভার করে। খালিয়াজুরি ও কলমাকান্দা উপজেলায় কয়েকটি ফাঁকা জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে।  

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান এর মোবাইল নাম্বার ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।