বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন। ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে। গত সোমবার (১৬ মার্চ) […]

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৬

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে।

গত সোমবার (১৬ মার্চ) ‎উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার ভূঁইয়ারহাট বাজার ইসলামী ব্যাংকের বুথের বিপরীতে সরকারী খাস খতিয়ানের অন্তরভূক্ত ২১৪৯ দাগে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে সকালবেলা এই ঘটনাটি ঘটে। 

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

‎স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে দোকান ভিটি নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তির পরিবার। উপজেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে টিনের ছাউনির বিতরে ‘সজীব অটো পার্টস’ নামের ২টি দোকানের ভেতরে গোপনে রাজমিস্ত্রিরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো এমন সংবাদ পাওয়া যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছবি-ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম।

ঘটনাস্থলে থেকে ছবি তোলার সময় সজীব অটোর মালিকের ছোট ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার রাজিব হঠাৎ সাংবাদিক তাজুলের হাত থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। এসময় রাজিব নিজের ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ভিডিও ধারণ করেন এবং উল্টো তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছেন বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।

একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ‎পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা ঘটনাস্থলে এসে রাজিবের কাছ থেকে ওই ভিডিওটি সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।

‎ঘটনার কিছুক্ষণ পর নুরুল হুদার মোটরসাইকেল ড্রাইবার মাসুম হোসেন রাজু তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিডিওটি পোস্ট সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেই।

স্থানীয় একাধিক ‎সংবাদকর্মীরা জানান, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের কাজ। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ওই অবৈধ দোকান ভিটি দখল ও নির্মাণ সচল রাখতে নুরুল হুদা বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং তাঁর ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

‎এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে কাজ করার ছবি তুলতে গেলে তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই নাটক সাজিয়ে ভিডিও করে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন নিজের লোকজন দিয়ে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই প্রশাসনের তরফ হতে।”

‎বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত নুরুল হুদার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, রাত্রে আমি এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। এন্ডুস করেছি। কোন এক অফিসার যাবে। যে অফিসারের নামে দেওয়া হয়েছে সে যাবে। মুনশিকে বলে দিচ্ছি যে অফিসার তদন্ত করছে সে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে সক্রিয়তা আইনি সহায়তা দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার দায়িত্ব নয়, এটা উদ্ধার করা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাজ।

আমার কাজ হল অভিযোগকারী কে তাকে কেউ হুমকি থ্রেট দিয়েছে কিনা। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় আছে কিনা খতিয়ে দেখা। আইনি সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব সেটা আমার দায়িত্ব।

এদিকে একজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত কাজে বাধা প্রদান ও সম্মানহানির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের মতো গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রেখে কেউ কেউ সত্য প্রকাশে বাধাঁ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানান স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।