শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

ঈদকে সামনে রেখে নতুন নোট সংগ্রহ করতে রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বেশিরভাগ ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের জানানো হচ্ছে নতুন নোট নেই। আবার কোন কোন ব্যাংক কৌশল করে বলছে আছে সীমিত। এতে করে  অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরছেন। অন্যদিকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ব্যাংক নয় রাস্তায় মিলছে নতুন টাকার পাহাড় । […]

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

ব্যাংকে নেই নতুন নোট, গুলিস্তানে টাকার পাহাড়—কার হাতে এই বাজার?

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৩

ঈদকে সামনে রেখে নতুন নোট সংগ্রহ করতে রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বেশিরভাগ ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের জানানো হচ্ছে নতুন নোট নেই। আবার কোন কোন ব্যাংক কৌশল করে বলছে আছে সীমিত। এতে করে  অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরছেন।

অন্যদিকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ব্যাংক নয় রাস্তায় মিলছে নতুন টাকার পাহাড় । সেখানে একটি ব্যবসায়ী চক্রের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে নতুন নোট বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ টাকা দিয়েই কিনতে হচ্ছে নতুন টাকা।  এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে ব্যাংকে যেখানে নতুন নোট নেই বলা হচ্ছে, সেখানে বাজারে এত নতুন নোট আসে কোথা থেকে?

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নতুন টাকার একটি অঘোষিত বাজার রয়েছে। ঈদের সময় বিশেষ করে নতুন টাকার ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোট বেশি দেখা যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, এখানে কিছু ব্যবসায়ী নতুন নোটের বান্ডিল এনে প্রকাশ্যেই বিক্রি করেন। সাধারণত ১০০০ টাকার নতুন নোট নিতে হলে ক্রেতাকে ১০০-২০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। ক্রেতারা জানান, শখের বশে ঈদের সময় শিশুদের ‘সালামি’ বা আত্মীয়দের দেওয়ার জন্য নতুন নোট দরকার হওয়ায় তারা বাড়তি টাকা দিয়ে এসব নোট কিনে থাকেন। এছাড়াও  ছোট নোটের বান্ডিলে কমিশন আরও বেশি হয় এবং ঈদের সময় এই ব্যবসা আরও বেড়ে যায় ।

সমস্যা কি এখানেই শেষ ? না, সাধারণ জনগণ যখন ছেঁড়া-ফাঁটা নোট ব্যাংকে দিতে যায় তখন অধিকাংশ  ব্যাংক সেই নোট গ্রহণ করে না। যার ফলে জনগণ বাধ্য হয়ে গুলিস্তানের টাকা ব্যবসায়ীদের কাছে নোট বিক্রি করে। সেখানেও প্রতি নোটের জন্য ভালো পরিমান টাকা গচ্ছা দিয়ে বিক্রি করতে হয় সাধারণ জনগণকে। বাস্তবে দেখা যায় ব্যাংক থেকেই গ্রাহকদের টাকার বান্ডিলে ছেঁড়া-ফাঁটা নোট ঢুকিয়ে দেয়। যার ফলে বলা যায়, ব্যাংক এইখানে চরম পর্যায়ে বৈষম্য সৃষ্টি করছে। আর এই বৈষম্য করার মূল লক্ষ্য হলো সিন্ডিকেটের সাথে বন্ধুত্ব করে সাধারণ জনগণের টাকা আত্মসাৎ করা।  

গুলিস্তানের নতুন টাকার উৎসের পিছনে রয়েছে এক অদৃশ্য সিন্ডিকেট। বাংলাদেশে নতুন নোট ছাপানোর বৈধ ক্ষমতা একমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। প্রতি বছর বিশেষ করে দুই ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুরনো ও ছেঁড়া নোট সংগ্রহ করে এবং তার পরিবর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ নতুন নোট সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকে সরবরাহ করে। সাধারণ গ্রাহক যখন ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে ‘নতুন টাকা নেই’ শুনে হতাশ হয়ে ফিরে যান, তখন গুলিস্তানের বাজারে নতুন টাকার স্তূপ দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে। কারণ এর পেছনে একটি প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা এই বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দকৃত নতুন নোটের একটি বড় অংশ গোপনে এই সিন্ডিকেটের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর বিনিময়ে সংশ্লিষ্টরা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পেয়ে থাকেন।

এছাড়াও কিছু পেশাদার ‘লাইনম্যান’ রয়েছে, যাদের কাজই হলো বাংলাদেশ ব্যাংক বা বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে বারবার কৌশলে নতুন নোট সংগ্রহ করা। পরে তারা এসব নোট গুলিস্তানের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। একইভাবে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাদের প্রভাব ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে বড় অংকের নতুন নোট সংগ্রহ করেন এবং পরে বেশি লাভের আশায় সেগুলো খোলা বাজারে ছাড়েন।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী দেশের কাগুজে মুদ্রা ইস্যু ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত। নতুন নোট ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সরাসরি জনগণের মধ্যে বিতরণের কথা। এসব নোট ব্যক্তিগতভাবে মজুদ করে অতিরিক্ত মূল্যে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা আইনত অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলামের দৃষ্টিতেও নতুন টাকার ব্যবসা বৈধ নয়। একই দেশের মুদ্রা কমবেশি করে কেনাবেচা করা শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হয়। কারণ টাকা বা কাগুজে মুদ্রা কোনো পণ্য নয়; বরং এটি নিজেই মূল্যমানের প্রতীক। তাই এটিকে লাভের উদ্দেশ্যে বেচাকেনা করা শরিয়তসম্মত নয়।
ইসলামি অর্থনীতিতে মুদ্রা বিনিময়কে বাইয়ুস সারফ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে দুই ধরনের লেনদেন রয়েছে। প্রথমত, এক দেশের মুদ্রার সঙ্গে অন্য দেশের মুদ্রার বিনিময় এ ক্ষেত্রে কমবেশি হওয়া বৈধ, তবে লেনদেনের সময়ই অন্তত এক পক্ষকে মুদ্রা বুঝিয়ে দিতে হবে (জাদিদ ফিকহি মাসায়িল: ৪/২৮; জাদিদ মুআমালাত কে শরয়ী আহকাম: ১-১৩৯)। দ্বিতীয়ত, একই দেশের মুদ্রা হলে লেনদেনে সমতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ ১০০ টাকার বিপরীতে ১০০ টাকাই হতে হবে; কমবেশি হলে তা সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে (হিদায়া, কিতাবুল বুয়ু, বাবুর রিবা: ০৩/ ৮৫; মুসতাদরাক আলাস সাহিহাইন: ০২/ ৬৫-৬৬; শারহু মাআনিল আসার: ৫৫৫৪; সুনান দারু কুতনি: ৩০৬০) । আমাদের দেশে সাধারণত ছেঁড়া বা পুরোনো নোটের পরিবর্তে নতুন নোট সরবরাহ করে থাকে ব্যাংকগুলো, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো এই সেবা বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। তাই প্রকাশ্যে বসে নতুন নোট কেনা- বেচার মতো ব্যবসা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধতার কোনো সুযোগ নেই। নতুন নোট সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বিতরণের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক সময় তা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত হচ্ছে এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এতে একদিকে যেমন আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামি দৃষ্টিতেও এটি সুদের আওতায় পড়ে অনৈতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই নতুন টাকার এই অবৈধ বাজার বন্ধ করতে হলে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, কঠোর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একইসঙ্গে সচেতনতা বাড়ানোও প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষও এই ধরনের অনৈতিক লেনদেন থেকে বিরত থাকে।

রাজধানী

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় […]

আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত মধ্যরাতে টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১২

৫০ কোটি টাকার বেশি ব্ল্যাকমেইল ও মামলাবাণিজ্যের অভিযোগে আলোচিত জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভী–কে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ব্ল্যাকমেইল, মামলাবাণিজ্য ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানের এক ব্যবসায়ীর কাছে জুলাই আন্দোলনের মামলার ভয় দেখিয়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা আদায়ের ঘটনায় তদন্ত জোরদার হলে তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, এই চক্রটি বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের সময় গুলশান ও বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যা মামলায় নাম জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ধাপে ধাপে অর্থ আদায় করা হতো।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মামলার আসামি বানানো, পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ‘মীমাংসা’ করে দেওয়ার প্রলোভনে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করত চক্রটি। এই প্রতারণার মূল নেতৃত্বে ছিলেন তাহরিমা জান্নাত সুরভী।

পুলিশ জানায়, তাহরিমা গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও লক্ষ্যভিত্তিক লাইভের মাধ্যমে তিনি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। অভিযোগ রয়েছে, এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতেন এবং পরবর্তীতে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

গ্রেপ্তারকৃত তাহরিমা জান্নাত সুরভীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মামলার তদন্তে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিস্তারিত আসছে…

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে…

রাজধানী

সব শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন টিকতেই আল্লাহর দরবারে প্রকাশ্যে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন তোজা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল হক তোজা। এ সময় তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। তার এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুহূর্তেই আলোচনার সৃষ্টি হয়।

তোজাম্মেল হক তোজা বলেন, সব প্রতিকূলতা ও শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন বৈধ হওয়া তার জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভালোবাসার ওপর আস্থা রেখেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। একই সঙ্গে তিনি মানিকগঞ্জ-১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাই শেষে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হলেও তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।