ইরান সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুইটি ড্রোন হামলা করার পর সেখানে ‘স্বল্প মাত্রায় অগ্নিকাণ্ড’ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ইরানের মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরো বেড়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরের এই হামলায় ‘দূতাবাসে সামান্য ক্ষতি’ হয়েছে। পরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পাল্টা আক্রমণের অংশ হিসেবে আরো ড্রোন ওই স্থানে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউজনেশন মিডিয়া আউটলেটকে বলেছেন, দূতাবাসে হামলা এবং কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানাবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার পর রিয়াদের কুটনৈতিক এলাকায় কালো ধোঁয়া দেখা যায়, যেখানে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, দূতাবাসে একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছিল এবং আগুনের শিখা দেখা গিয়েছিল। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, ড্রোন হামলার পর আগুন সীমিত পরিসরে ছিল।
এ ঘটনায় অবগত দুই ব্যক্তি রয়টার্সকে জানান, আক্রমণের সময় দূতাবাসের ভবনটি ফাঁকা ছিল। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সৌদি সামরিক বাহিনীর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, হামলার সময় চারটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?