ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু–এর পরিণতি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তেল আবিবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও হাইফা বন্দরে সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলায় নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘খাইবার’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর ভাগ্যে কী ঘটেছে তা স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি আইআরজিসি।
ফরাসি বার্তা সংস্থা Agence France-Presse–এর সাংবাদিকরা জানান, জেরুজালেমের আকাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী Israel Defense Forces (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান Ursula von der Leyen আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?