যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান ব্যাপক হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। এর মধ্যে দুবাই ও আবুধাবির বিমানবন্দরে হামলায় একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে আসা একটি ড্রোন ঠেকিয়ে দেয় আমিরাতি বাহিনী। তবে সেই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজন নিহত ও সাতজন আহত হন।
অন্যদিকে যাত্রীসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে সেই হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পরই এই আক্রমণ শুরু হয়।
কাতার, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ধ্বংসাবশেষ পড়ে বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মূলত ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হয়।
এতে খামেনিসহ ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর প্রাণ হারান।
হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যাও বেড়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ২০১ জন নিহত এবং ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন।
যৌথ হামলার জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?