ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর পাল্টাপাল্টি আক্রমণ হচ্ছে। প্রতিশোধমূলক আঘাতের অংশ হিসেবে সরাসরি ইসরাইলে হামলার পাশাপাশি উপসাগরীয় আরব দেশগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাকে নতুন করে টার্গেট করছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।
একই সঙ্গে নতুন আরেকটি লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করেছে তেহরান। এরই অংশ হিসেবে রোববার (১ মার্চ) ইসরাইলি সামরিক স্থাপনায় একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
ইরানের বিপ্লবী এ বাহিনী জানায়, একটি নতুন প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে জায়নবাদী শাসকের সামরিক স্থাপনাকে টার্গেট করা হয়েছে।
আইআরজিসি রোববার ঘোষণা করেছে, ফিলিস্তিনে ইসরাইলের দখল করা ভূখণ্ড এবং এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে। এটি ‘ট্রু প্রমিস ৪’ অভিযানের ষষ্ঠ ধাপ।
এ বাহিনী আরও জানায়, উপসাগরীয় অঞ্চলে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটি ছাড়াও ইসরাইলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত তেল নফ বিমানঘাঁটি, জায়নবাদী শাসকের জেনারেল স্টাফ এবং তেল আবিবের হাকিরিয়া কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানায়, তারা দখল করা ভূখণ্ড ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে সাইরেনের শব্দ থামতে দেবে না এবং শত্রুকে বারবার আঘাত করার মাধ্যমে প্রতিশোধের ‘ভিন্ন ও কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে।
এর আগে শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি শাসক গোষ্ঠী ইরানের ওপর আগ্রাসনমূলক হামলা শুরু করে। এরপর থেকে দফায় দফায় প্রতিশোধমূলক আঘাত করে যাচ্ছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?