মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

এনসিপির মার্কা শাপলাই হতে হবে, অন্য কোন অপশন নাই: সারজিস

সব ধরনের ভণ্ডামিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, তাই এনসিপির প্রতীক অবশ্যই শাপলা হতে হবে, অন্য কোনো বিকল্প নেই

নিউজ ডেস্ক

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৬

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আখতার হামিদ জানিয়েছেন, তালিকায় না থাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ পাবে না। তার এই বক্তব্যের পরই উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম লিখেছেন, ইসি সচিব বলেছেন তালিকায় শাপলা নেই তাই এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দেওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ কোনো আইনগত বাধা নেই, কেবল তালিকায় না থাকার অজুহাতে শাপলা প্রতীক থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও লেখেন, যেদিন এনসিপি প্রথম নিবন্ধনের আবেদন করে সেদিন থেকেই স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল তারা শাপলা প্রতীক চায়। তাহলে তালিকায় তা যুক্ত করা কার দায়িত্ব ছিল? এতদিন কি নির্বাচন কমিশনে কর্মকর্তারা বসে নাটক দেখেছেন, নাকি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানে বসে অন্য কোনো শক্তির কথায় উঠবস করেছেন?

সারজিস আলম স্পষ্ট করে বলেন, সব ধরনের ভণ্ডামিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হবে। যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, তাই এনসিপির প্রতীক অবশ্যই শাপলা হতে হবে, অন্য কোনো বিকল্প নেই। তিনি সতর্ক করে আরও লিখেছেন, অন্যথায় নির্বাচন কীভাবে হবে আর কে কীভাবে ক্ষমতায় গিয়ে ভোগবিলাসের স্বপ্ন দেখে তা আমরাও দেখে নেব।

এর আগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব জানিয়েছিলেন, প্রতীক সংক্রান্ত ভেটিং প্রক্রিয়া শেষে সংশোধিত তালিকা কমিশনে জমা পড়েছে, কিন্তু সেখানে শাপলা প্রতীক নেই। এজন্য এনসিপিকে বিকল্প প্রতীক চাইতে বলা হয়েছে।

এদিকে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইসির সংলাপ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম দফায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদরা এতে অংশ নেবেন।

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার […]

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

মন্ত্রিসভার শপথের জন্য ডাক পেলেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১১

বিএনপির সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ থেকে তাকে টেলিফোনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র।


এদিকে আজ সকাল ১০টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তৃতীয়বারের মতো এই আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।

অন্যান্য খবর

ইরাকের আল-আসাদ বিমানঘাঁটি ছেড়ে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী। গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। সেখানে মার্কিনি ছাড়াও তাদের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য দেশের সেনারাও ছিল। তারা ঘাঁটি ছাড়ার পর এটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী।

গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস ইউনিট কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বদলা নিয়ে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে বিপুল মিসাইল ছুঁড়েছিল ইরান। এতে এ ঘাঁটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ইরানের হামলার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে ওই সময় সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকের মানসিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল।

২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে চুক্তি হয়। এর অংশ হিসেবেই ঘাঁটি থেকে সরে গেছে মার্কিন সেনারা।

ইরাকি সেনাবাহিনীর এক কর্নেল যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ঘাঁটি ছাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে অল্প কয়েকজন সেখানে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তারা শুধুমাত্র কিছু লজিস্টিক কাজের জন্য এখানো এ ঘাঁটিতে আছেন। কাজ শেষ হলে তারাও চলে যাবেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এর বেশি তথ্য জানাননি ইরাকের সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা।

যুক্তরাষ্ট্র কখন সেনাদের প্রত্যাহার করা শুরু করেছিল সেটি নিশ্চিত নয়। শোনা গিয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শত শত সেনা এখান থেকে চলে যাবেন। আর ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি খালি করে দেবেন তারা।