শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মূলহোতা নূরা গ্রেফতার

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় বাবার কাছ থেকে অপহরণের পর এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় […]

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মূলহোতা নূরা গ্রেফতার

নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মূলহোতা নূরা গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক

২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় বাবার কাছ থেকে অপহরণের পর এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গাজীপুরের মাওনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মধ্যবর্তী একটি সরিষাখেত থেকে ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ৯ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় মামলা করেন ওই কিশোরীর মা।

মামলার এজাহারে নামোল্লেখ করা ৯ জন আসামি হলেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা (২৮), এবাদুল্লাহ (৪০), হযরত আলী (৪০), মো. গাফফার (৩৭), আহাম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), ইমরান দেওয়ান (৩২), ইছহাক ওরফে ইছা (৪০), আবু তাহের (৫০) ও মো. আইয়ুব (৩০)। আহাম্মদ আলী দেওয়ান মহিষাশুড়া ইউপির সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। তাকেসহ পাঁচ আসামিকে এই বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি চারজন হলেন ইমরান দেওয়ান, এবাদুল্লাহ, আইয়ুব ও গাফফার।

এদিকে অভিযোগ ওঠার পর আহাম্মদ আলী দেওয়ানকে দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলা বিএনপির এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় আহাম্মদ আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে কিশোরীর কথাবার্তা ছিল। ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ কিশোরীকে তুলে নেয়। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। এ ঘটনার বিচারের জন্য কিশোরীর পরিবার মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহাম্মদ আলী দেওয়ানের কাছে যায়। তবে পরিবারটি বিচার পায়নি। সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে অভিযোগ করায় নূরাসহ সংশ্লিষ্ট তরুণেরা ক্ষুব্ধ হন।

এমন পরিস্থিতিতে গত বুধবার রাতে মেয়েকে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। পথে বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয় তরুণ বাবার কাছ থেকে কিশোরীকে অপহরণ করে নিয়ে যান। রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মেয়েটির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিলপাড় ও দড়িকান্দী এলাকার মাঝামাঝি একটি শর্ষেখেতে কিশোরীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে মাধবদী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ধর্ষণের বিচারের দায়িত্ব নিয়ে আহম্মদ আলী দেওয়ান অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি কিশোরীর পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে চাপ দেন। বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এর জেরেই গত বুধবার রাতে বাবার সামনে থেকে কিশোরীকে অপহরণের পর সরিষাখেতে নিয়ে হত্যা করা হয়।

অন্যান্য খবর

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন […]

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী: সায়ের

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৭

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আগেই দাবি করেছেন আল জাজিরার প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। এবার আরেক দাবি করলেন তিনি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে পালিয়ে সেলফি পাঠিয়েছেন হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ।

সায়ের লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্য গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় (১২ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের পিএস মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ফয়সাল করিম মাসুদকে এই ভারতীয় নম্বরটি জোগাড় করে দেন বলে বিশেষ গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়।’

পোস্টে তিনি একটি নাম্বারও যোগ করেন (+৯১৬০০১৩৯৪০**)। তিনি লেখেন, ‘এই নম্বরটি ব্যবহার করে গতকাল রাতে কয়েকটি নম্বরে নিজেদের এই সেলফি পাঠান ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান।’

তার দাবি, ‘যে সকল নম্বরে এই ছবিটি পাঠানো হয় তার একটি ইন্টারসেপ্ট করে এই ছবিটি পাওয়া যায়, যা গতকাল ভারতের আসাম রাজ‍্যের গুয়াহাটিতে তোলা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, অত্যন্ত সংকটাপন্ন ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার পর থেকেই সারা দেশে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

অন্যান্য খবর

স্বরাষ্ট উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করলেন সাদিক কায়েম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১১

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে কিছু বিষয় আপাতত গোপন রাখা প্রয়োজন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডাকসু প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমসহ অন্যান্য নেতারা।

বৈঠক চলাকালে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সামনেই তার পদত্যাগ দাবি করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির ওপর হামলার পরও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতারই প্রতিফলন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের ছোট ভাই সাদিক কায়েমের প্রতিটি দাবি যৌক্তিক। এর আগেও আমরা আপনাদের সামনে বলেছি, এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপ আরও বেগবান করতে হবে।” তিনি আশ্বস্ত করেন, ডাকসু নেতাদের উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “ওসমান হাদি এখন গুরুতর অসুস্থ। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন—এই কামনায় আমরা সবাই দোয়া করি।”

হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতরা বর্তমানে দেশে আছে নাকি পালিয়ে গেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সবকিছু এখনই প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” তবে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

এদিকে বৈঠক শেষে ডাকসু নেতারা জানিয়েছেন, তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে তাদের দাবিগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।

অন্যান্য খবর

অনিচ্ছাকৃত ভুল বক্তব্যের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত : রিজভী

রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আরটিভির লোগো ব্যবহার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের বক্তব্য হিসেবে একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:১৯

রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আরটিভির লোগো ব্যবহার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের বক্তব্য হিসেবে একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। একই সঙ্গে শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির সঙ্গে ডাকসুর ভিপির চা খাওয়ার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন, “এই দুটি বিষয়ই ছিল ভিত্তিহীন এবং এআই জেনারেটেড।”

রিজভী আরও বলেন, ফ্যাক্ট চেক না করে এসব বিষয় নিয়ে তিনি শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সভায় বক্তব্য দেন। “এই অনিচ্ছাকৃত ভুল বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত,” বলেন তিনি।

এর আগে রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, “আমি এমন কোনো বক্তব্য দিইনি। এগুলো বোগাস ও ভুয়া কথাবার্তা। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে একটি রিজয়েন্ডার দেওয়া হয়েছে।” ডিএমপি কমিশনার জানান, এআই দিয়ে তৈরি একটি ভুয়া ছবি ব্যবহার করে তার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।

এদিকে ডাকসুর ভিপির সঙ্গে চা খাওয়ার প্রসঙ্গে রিজভীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন সাদিক কায়েম। পোস্টে তিনি লেখেন, আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা সেল কর্তৃক প্রচারিত এআই জেনারেটেড ছবি সত্য ধরে নিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা তাকে হাদির ওপর হামলার সন্দেহভাজনের সঙ্গে জড়িয়ে অপতথ্য ছড়িয়েছেন, যা দায়িত্বশীল আচরণ নয়।

সাদিক কায়েম আরও লেখেন, এই ধরনের অপতথ্য যাচাই না করে প্রচার করা হলে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়। তিনি বিএনপি ও রুহুল কবির রিজভীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও এআই জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।