রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

ড. ইউনূস অপরাধ কম করেনি, বুঝে করুক বা না বুঝে : এম এ আজিজ

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট এম এ আজিজ বলেছেন, ড. ইউনূস তার অ্যাকশন গুলোর ওপরে যদি ইনডেমিনিটি না নিতে পারে, সে তো ফাঁসবে। অপরাধ কম করেনি সে, বুঝে করুক বা না বুঝে। সে অপরাধ অনেক করে ফেলছে। তার সরকার আপাদমস্তক অবৈধ। একসময় না একসময় তাকে তো কাঠগড়ায় উঠতে হবে। এখন যে পরিস্থিতি, সারা দেশ উনি জিম্মি […]

ড. ইউনূস অপরাধ কম করেনি, বুঝে করুক বা না বুঝে : এম এ আজিজ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৫, ১৪:৩৮

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট এম এ আজিজ বলেছেন, ড. ইউনূস তার অ্যাকশন গুলোর ওপরে যদি ইনডেমিনিটি না নিতে পারে, সে তো ফাঁসবে। অপরাধ কম করেনি সে, বুঝে করুক বা না বুঝে। সে অপরাধ অনেক করে ফেলছে। তার সরকার আপাদমস্তক অবৈধ।

একসময় না একসময় তাকে তো কাঠগড়ায় উঠতে হবে। এখন যে পরিস্থিতি, সারা দেশ উনি জিম্মি করে ফেলছে। এখন একটা অপশন হয়েছে যদি এই লন্ডনের বৈঠক ফেল করে তাকে খুব অপমান-অপদস্থ হয়ে বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ‘মানচিত্র’ নামের এক ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনে জনগণ টাকা নিয়ে ভোট দেয়- এ বিষয়ে এম এ আজিজ বলেন, দেশের মালিক জনগণ যদি চাঁদা খেয়েও থাকে, জনগণ যদি ইলেকশনের সময় পয়সা নিয়েও থাকে, বিদেশে তিনি তো এটা বলতে পারেন না।

আমরা তো বলি না, তিনি এই দেশটাকে ব্যবসায়ী কেন্দ্র করেছেন। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৬৬ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করে নিয়েছেন। গ্রামীণফোনে ৪ হাজার কোটি টাকা মাফ করে দিয়েছেন।

জনগণ কেন খাবে না? জনগণ পয়সা খাইলে কয় পয়সা খাবে? ৫ হাজার, ১০ হাজার, ১ হাজার, পাঁচ শ, দুই শ? উনি তো হাজার হাজার কোটি টাকা খাচ্ছেন। সুতরাং উনি যে বিদেশে এই কথাগুলো বলেন- স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে।

তিনি বলন, প্রফেসর ইউনূস একটা দিন কোনো শব্দ উচ্চারণ করছে, বাবারা, তোমরা লেখাপড়াও করো, দেশ চালাও। একটাবার বলছে? অর্থাৎ এই জাতি ধ্বংস হলে তার কিছু আসবে না। সারা পৃথিবী যে তার দেশ।

বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে গেলে তার কিছু আসবে না। সে এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছিল বটে, তিনি এখন এই দেশের না। তার সারা বিশ্বে বিচরণ। তার আমেরিকার লাগবে। এই দেশে আপনার এবং আমার যে মমত্ববোধ আছে, এই দেশের প্রতি তার সেই মমত্ববোধ নাই।

যদি থাকত, তাহলে এত ব্যক্তিগত বেনিফিট সে নিতে পারত? ব্রিটেন গিয়ে উনার লোকজন তো ধাওয়া খেয়েছে। উনি অপমান ছাড়া ব্রিটেনে গিয়ে কিছু আনতে পারছেন না।

এ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়াটাই মুখ্য। আমাদের জাতি এখন নির্বাচন চায়। বৈঠকে যদি আর ক্ষমতা ধরে রাখার মত প্যাঁচ না লাগায়, তাহলে সমাধান হবে। আর প্যাঁচ লাগালে সমাধান হবে না এবং বিএনপি আন্দোলনের জন্য বাধ্য হবে এবং তাকে অবশ্যই পালাতে হবে।

তিনি আরো বলেন, তিনি আর সরকার চালাতে পারছেন না। সরকার দেউলিয়া, সরকার ফেল স্টেটের দিকে যাবে। উনি দয়া করে জাতিকে মাফ করে দিন। এত অযোগ্য লোক ভাবিনি। উনি জাতিকে মাফ করে দিক। উনি ক্ষমতায় থেকে একটা নির্বাচন দিয়ে উনি সরে পড়ুক, এ ছাড়া ওনার প্রয়োজন আর নাই।

সোশ্যাল মিডিয়া

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি। আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি […]

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৭

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি ‘না’ ভোট দেব? বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি অনলাইনে সক্রিয় থাকতে পারি না। আপনারা যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেসেজ দিয়েছেন, তাই আমি ভিডিও বার্তায় তার উত্তর দিচ্ছি। আমার উত্তর হচ্ছে, জুলাই সনদে আমি ‘না’ ভোট দেব।

কেন ‘না’ ভোট দেবেন, কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে’ যোগ দেবে। ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ জিনিসটা কী? জুলাইয়ে আমরা যে আন্দোলন করেছি তার সঙ্গে এর সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?

‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপের’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ মাহতাব উৎস বলেন, ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ হচ্ছে ‘এলজিবিটিকিউ রাইটস’-এর পক্ষে কাজ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে এলজিবিটিকিউ রাইটস বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং জুলাই সনদ পাস হলে তারা বলবে, এটা তো পাস হয়ে গেছে, আপনাকে এখন এলজিবিটিকিউ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসিফ মাহতাব বলেন, আমি তো ওপেন সোসাইটির জন্য সংগ্রাম করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু আপনাকে ভোট দেওয়ানো হবে এবং ভোট দেওয়ানোর পরে এগুলো (এলজিবিটিকিউ) বাস্তবায়নও করা হবে।

এরপর তিনি জুলাই সনদ থেকে এলজিবিটিকিউ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সেখানে ‘ইনক্লুসিভ’ এবং ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ শব্দমালা তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এসব শব্দের মারপ্যাচে এলজিবিটিকিউকে আইন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় এই অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করেন, জুলাই সনদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি এর স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ডা. জাহেদ উর রহমানের একটি টকশো আলোচনার খণ্ডিত অংশ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝানোর চেষ্টা করছে যে, জুলাই সনদে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ রুদ্ধ করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ বন্ধ হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তাহলে তারা এটি খুব সহজে বাতিলও করে দিতে পারবে।

এ ছাড়া জুলাই সনদের মাধ্যমে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, সেটিও অবাস্তব বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়’ : ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

‘মাইগ্রেনের ব্যথার কারণে কালকে আর্লি ঘুমিয়েছি। ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়। কি একটা অবস্থা। আপনারা একটু ধৈর্য ধরেন। আমার তো একটা সন্তান আছে, স্কুলে পাঠালাম। চাকরি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্য রেডি হবো।’ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬

‘মাইগ্রেনের ব্যথার কারণে কালকে আর্লি ঘুমিয়েছি। ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়। কি একটা অবস্থা। আপনারা একটু ধৈর্য ধরেন। আমার তো একটা সন্তান আছে, স্কুলে পাঠালাম। চাকরি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্য রেডি হবো।’

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। তিনি লেখেন, ‘তার আগে, আজকে দিনের রান্না, ঘরের কাজ গুছাবো। এরপরে গিয়ে, ফেসবুক নিয়ে বসবো। কে কি বললেন, কেন বললেন এসব চর্চা করতে। ততক্ষণ দয়া করে একটু ধৈর্য ধরে বসে থাকেন, যেহেতু আমার কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া ছাড়া আপনাদের দিনে রাতে আর কোনো কাজ নাই।’

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের টুইটার (এক্স) হ্যান্ডেল হ্যাক হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। দলটির দাবি, এক্স হ্যান্ডেল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়। এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ক্যাম্পেইন টিম নিশ্চিত করেছে, সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল টুইটার (এক্স) হ্যান্ডেলসহ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।’

তিনি বলেন, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়, যেখানে জামায়াত আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, ওই পোস্ট/কনটেন্ট জামায়াত আমিরের কোনো বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমি এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে জামায়াত আমিরের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের সাইবার টিম অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সক্ষম হয়। ফলে অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এবং প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনুরোধ করছি, ভুয়া খবর, জাল উদ্ধৃতি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন। মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, পরিচয় জালিয়াতি করা এবং বিকৃত কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় এবং নৈতিকভাবে নিন্দনীয়। এগুলো গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সবার প্রতি অনুরোধ, শুধু অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করুন- যাচাই ছাড়া কোনো কনটেন্ট শেয়ার করবেন না এবং সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দেখলে তা রিপোর্ট করুন। ক্যাম্পেইন টিম স্বচ্ছতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের সাথে যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে আরও তথ্য জানানো হবে বলে জানান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।

সোশ্যাল মিডিয়া

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় […]

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’


‘মাহবুবুর রহমান, কাজ করেন পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে, দুধ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। আজ রাতে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় হাতেনাতে ধরা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের হাতে।’

‘সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাকে শাহবাগ থানায় আনা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় এবং তৎক্ষণাৎ থানায় যাই। অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এ কাজ করতে গিয়েছিলেন।’

‘বাচ্চা শিশুটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। সাধারণত ধর্ষণ চেষ্টায় খুব একটা সিগ্নিফিকেন্ট প্রমাণাদি থাকে না। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে সে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটা কনক্রিট কোনো প্রমাণ না। মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

‘যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!’