সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মামুনুল হকের আসনে জরিপে এগিয়ে ববি হাজ্জাজ : সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ

রাজধানী ঢাকার চারটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থান নিয়ে একটি জরিপ প্রকাশ করেছে ‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’। জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধানেরা নিজ নিজ আসনে এগিয়ে থাকলেও ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক তার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫

রাজধানী ঢাকার চারটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের অবস্থান নিয়ে একটি জরিপ প্রকাশ করেছে ‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রধানেরা নিজ নিজ আসনে এগিয়ে থাকলেও ঢাকা-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক তার প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনে এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল উপস্থাপন করেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক শিব্বির আহমদ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিডিজবস ডটকমের প্রধান নির্বাহী এ কে এম ফাহিম মাশরুর।

‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’ যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত একটি মানবাধিকার গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি সংস্থা, যা বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষা ও বিকাশের জন্য কাজ করে বলে নিজের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছে।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চার দিনে ঢাকার চারটি আসনে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ২ হাজার ২৪১ জন ভোটারের মতামত নেওয়া হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৫৩ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং নারী ৪৬ দশমিক ২০ শতাংশ। ধর্মভিত্তিক হিসাবে অংশ নেন ২ হাজার ১৫৪ জন মুসলিম, ৮২ জন হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মের ৫ জন।

মামুনুল হকের আসনের চিত্র

জরিপে ঢাকা-১৩ আসনে ৬০৬ জন ভোটারের মতামত নেওয়া হয়। ‘এই আসনে কে বিজয়ী হতে পারেন’—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে মনে করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে সম্ভাব্য বিজয়ী মনে করেন ৩৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার। কে নির্বাচিত হতে পারেন তা জানেন না ১০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ৯ শতাংশ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।

‘আজ নির্বাচন হলে কাকে ভোট দেবেন’—এই প্রশ্নের উত্তরে ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ ববি হাজ্জাজ এবং ৩৪ শতাংশ মামুনুল হককে ভোট দেওয়ার কথা জানান।

অন্যান্য আসনের ফল

জরিপের ফল অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনে ৫১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্ভাব্য বিজয়ী মনে করেন এবং ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ জামায়াতের প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামানের নাম বলেন। জানেন না ২১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মন্তব্য করতে চাননি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

আজ নির্বাচন হলে ৩৫ শতাংশ তারেক রহমান এবং ৩২ শতাংশ খালিদুজ্জামানকে ভোট দেওয়ার কথা জানান।

ঢাকা-১৫ আসনে ৫১৪ জন ভোটারের ওপর পরিচালিত জরিপে ৪৯ দশমিক ২ শতাংশ মনে করেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বিজয়ী হতে পারেন এবং ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খানকে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে দেখেন।

জানেন না ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ৪ দশমিক ১ শতাংশ কোনো মন্তব্য করেননি। আজ নির্বাচন হলে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ শফিকুর রহমান এবং ৩০ শতাংশ শফিকুল ইসলাম খানকে ভোট দেওয়ার কথা জানান।

ঢাকা-১১ আসনে ৬০৬ জন ভোটারের মতামতে ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে সম্ভাব্য বিজয়ী মনে করেন এবং ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের সম্ভাবনার কথা বলেন। জানেন না ৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মন্তব্য করেননি ২ দশমিক ৮ শতাংশ।

আজ নির্বাচন হলে ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ নাহিদ ইসলাম এবং ৩৭ শতাংশ এম এ কাইয়ুমকে ভোট দেওয়ার কথা জানান।

উল্লেখ্য, জরিপে দুই হাজারের বেশি ভোটারের কাছে ‘কে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন’—এমন প্রশ্ন করা হলে ৪২ দশমিক ১ শতাংশ তারেক রহমান এবং ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশ শফিকুর রহমানের নাম বলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৯