মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

যারা ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলছে, তারা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বর্তমান ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে চায় : গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া–ফুলতলা) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তারা মূলত দেশের বিদ্যমান দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে চায়। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভা, মিছিল, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে […]

যারা ‘না’ ভোটের পক্ষে কথা বলছে, তারা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বর্তমান ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে চায় :  গোলাম পরওয়ার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া–ফুলতলা) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তারা মূলত দেশের বিদ্যমান দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে চায়।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভা, মিছিল, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করা না গেলে গত ৫৪ বছরে দেশ যে দুর্ভোগ, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার শিকার হয়েছে, সেই ধারাই আবারও অব্যাহত থাকবে। তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যে ছাত্রসমাজ বিভিন্ন নির্বাচনে চাঁদাবাজদের পরাজিত করেছে। ফলে জাতীয় নির্বাচনেও দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের পরাজিত করা সম্ভব।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে নৈতিকতা ও চরিত্রবান নেতৃত্বের পক্ষে ভোট দিতে হবে। তিনি বলেন, “ধানের শীষ, নৌকা কিংবা লাঙ্গল যদি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে, তবে দাঁড়িপাল্লাও পারবে—এটাই আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।” একই সঙ্গে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বরং সৌহার্দ্য বজায় রেখে দেশপ্রেমের রাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

আসন্ন নির্বাচনকে তিনি এক ধরনের গণভোট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্র সংস্কার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। যারা ‘না’ ভোটের কথা বলছে, তারা মূলত দুর্নীতিগ্রস্ত বর্তমান ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে গিয়ে আগে ভোট দিয়ে তারপর বাড়ি ফিরতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা ভোট ডাকাতি ঠেকাতে যুবসমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

নির্বাচিত হলে বিল ডাকাতিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি নিজেও বিল ডাকাতিয়ার সন্তান। এখানকার জমি, ফসল ও মানুষের কষ্ট আমার নিজের কষ্ট। তাই আল্লাহ যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, আমার প্রথম কাজ হবে বিল ডাকাতিয়ার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।” এ সমস্যা সমাধানের পর ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট, মসজিদ-মন্দিরসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তাদের কেউই দুর্নীতিমুক্ত শাসনের দাবি করতে পারে না। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিকে একযোগে দায়ী করে তিনি বলেন, প্রতিটি সরকারের আমলেই দুর্নীতি, দলীয়করণ ও বিরোধী দমননীতির চর্চা হয়েছে।

ভোটারদের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট কেনার উদ্দেশ্যে দেওয়া কালো টাকা প্রত্যাখ্যান করতে হবে। টাকা দিয়ে মানুষের বিবেক কেনা যায় না। ভোট বিক্রি করা মানে নিজের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বিক্রি করা। তিনি এসব টাকা সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার পরামর্শ দেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আসন্ন নির্বাচন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ। বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন জরুরি। তিনি দাবি করেন, ১০১ দলীয় জোট রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দুর্নীতি নির্মূল, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে।

এ সময় তার সঙ্গে খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মইনুল ইসলাম, এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, ফুলতলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি আব্দুর রশীদ বিশ্বাসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২