শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতের সাথে নতুন ধারার সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বিএনপি

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার জানুয়ারি দশ তারিখ বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ হয়। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্ব কম নয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও প্রচারণা চলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

বৈঠকের মাধ্যমে বিএনপি পরিষ্কারভাবে বার্তা দিতে চেয়েছে যে দলটি ক্ষমতায় গেলে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং পারস্পরিক স্বার্থনির্ভর সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। বিএনপির দৃষ্টিতে, অতীতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একতরফা নির্ভরতার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, যা জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর ছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এসে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির পথে হাঁটার কথাই তুলে ধরছে দলটি।

একই দিনে তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্ক ও মিশরের রাষ্ট্রদূতরাও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একাধিক দেশের কূটনীতিকদের এই ধারাবাহিক সাক্ষাৎকে বিএনপি নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মহলের বাড়তি আগ্রহ হিসেবে দেখছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের খবরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ বেড়েছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় ভারতের হাইকমিশনারসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা মতবিনিময় করেছেন।

হুমায়ুন কবির জানান, আলোচনায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা, কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়গুলো উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হতে পারে, তার ইঙ্গিত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তাতেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা উল্লেখ রয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই বার্তাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ যে রয়েছে, তা অস্বীকার করেননি হুমায়ুন কবির। সীমান্ত নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে বলে তিনি জানান। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার বিষয়েই প্রণয় ভার্মার সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মূলত একটি শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ ছিল এবং খুব বেশি বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া হয়নি।

বিএনপির দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের পররাষ্ট্রনীতি জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে দলীয় ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কথা বলছে। এ লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, ভবিষ্যতেও কূটনৈতিকদের সঙ্গে এ ধরনের সৌজন্য ও মতবিনিময়মূলক বৈঠক অব্যাহত থাকবে। আরও অনেক দেশের প্রতিনিধিরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সেগুলো পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব বৈঠক ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫