শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতের সাথে নতুন ধারার সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বিএনপি

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার জানুয়ারি দশ তারিখ বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ হয়। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্ব কম নয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও প্রচারণা চলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

বৈঠকের মাধ্যমে বিএনপি পরিষ্কারভাবে বার্তা দিতে চেয়েছে যে দলটি ক্ষমতায় গেলে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং পারস্পরিক স্বার্থনির্ভর সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। বিএনপির দৃষ্টিতে, অতীতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একতরফা নির্ভরতার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, যা জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর ছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এসে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির পথে হাঁটার কথাই তুলে ধরছে দলটি।

একই দিনে তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্ক ও মিশরের রাষ্ট্রদূতরাও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একাধিক দেশের কূটনীতিকদের এই ধারাবাহিক সাক্ষাৎকে বিএনপি নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মহলের বাড়তি আগ্রহ হিসেবে দেখছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের খবরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ বেড়েছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় ভারতের হাইকমিশনারসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা মতবিনিময় করেছেন।

হুমায়ুন কবির জানান, আলোচনায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা, কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়গুলো উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হতে পারে, তার ইঙ্গিত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তাতেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা উল্লেখ রয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই বার্তাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ যে রয়েছে, তা অস্বীকার করেননি হুমায়ুন কবির। সীমান্ত নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে বলে তিনি জানান। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার বিষয়েই প্রণয় ভার্মার সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মূলত একটি শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ ছিল এবং খুব বেশি বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া হয়নি।

বিএনপির দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের পররাষ্ট্রনীতি জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে দলীয় ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কথা বলছে। এ লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, ভবিষ্যতেও কূটনৈতিকদের সঙ্গে এ ধরনের সৌজন্য ও মতবিনিময়মূলক বৈঠক অব্যাহত থাকবে। আরও অনেক দেশের প্রতিনিধিরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সেগুলো পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব বৈঠক ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫১২

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫১২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫১২

রাজনীতি

বিপাকে পড়েছেন তাসনিম জারা ! ইসির সব পথ বন্ধ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছে

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ? বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

বিপাকে পড়েছেন এনসিপি থেকে সদ্য পদত্যাগকারী নেত্রী তাসনিম জারা। কী ধরনের বিপদ?

বাংলাদেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ২৫ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে, ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের কমপক্ষে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর বা সমর্থন (হলফনামা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) জমা দিতে হবে, তবে আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এই ১% স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা থাকে না।

এর সঙ্গে আয়কর রিটার্ন, সম্পদের বিবরণী এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে ছবি ও হলফনামা জমা দিতে হয়, যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূরণ করতে হয়।

এই শর্ত অনুযায়ী তাসনিম জারা গতকাল থেকে নির্বাচনী এলাকার খিলগাঁও থেকে স্বাক্ষর নেওয়া শুরু করেছেন।

কিন্তু আজ জানা গেলে তিনি বিপদে পড়েছেন। যেহেতু ভোটারদের সিরিয়াল নম্বর প্রয়োজন, কিন্তু সেই সিরিয়াল নম্বর পাওয়ার ৫টি উপায় আছে। সব কয়টি পথ বন্ধ রেখেছে নির্বাচন কমিশন-এমনটাই জানালেন ঢাকা ৯ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।

তাসনিম জারা বলেন, ভোটার নম্বর লাগবে।
কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো উপায় রাখেনি যে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। ৫ উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। এক হলো এসএমএস করে, অনলাইনে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে। কল করে ভোটার নম্বর পাওয়া যাবে।

কিউ আর কোড ব্যবহার করে পাওয়া যাবে। তো পাঁচটি উপায়ে ভোটার নম্বর পাওয়া যায়, কিন্তু একটা উপায়ও কার্যকর নয়।

তিনি বলেন, ‘ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন। আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হব, এ ক্ষেত্রে ভোটার নম্বর লাগবে। কিন্তু ভোটার নম্বর পাওয়া যাচ্ছে।

একদম অসম্ভব করে রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটা পথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’

এদিকে এই অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ভোটার সিরিয়াল নম্বর পাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। কেননা আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৫১২