মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মির্জা আব্বাসের সম্পদের পরিমান ৫৩ কোটি ১৬ লাখ, ছেলের সাড়ে ৬৬ কোটি

রাজনীতির মাঠে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও সম্পদের পরিমাণে বাবাকে ছাড়িয়ে গেছেন তাঁর ছেলে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর তুলনায় তাঁর বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা বেশি। হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের নিজের […]

মির্জা আব্বাসের সম্পদের পরিমান ৫৩ কোটি ১৬ লাখ, ছেলের সাড়ে ৬৬ কোটি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৩২

রাজনীতির মাঠে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও সম্পদের পরিমাণে বাবাকে ছাড়িয়ে গেছেন তাঁর ছেলে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর তুলনায় তাঁর বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৩ কোটি টাকা বেশি।

হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের নিজের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে তাঁর ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের একক সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। পারিবারিক হিসাবে স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদ যোগ করলে মির্জা আব্বাস পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র ও হলফনামা দাখিল করেছেন।

নগদ অর্থ ও ব্যাংক জমা

হলফনামার তথ্যে দেখা যায়, মির্জা আব্বাসের হাতে নগদ রয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলার। তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের হাতে নগদ রয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৪২ হাজার টাকা ও ৬৮ হাজার ৯৬০ মার্কিন ডলার।
ব্যাংক হিসাবে মির্জা আব্বাসের নামে জমা আছে ৭১ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৯ টাকা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯৯ টাকা। পাশাপাশি মির্জা আব্বাসের নামে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৩২ লাখ ৬৬ হাজার টাকার স্থায়ী আমানত (এফডিআর) রয়েছে।

শেয়ার ও বিনিয়োগ

ব্যবসায়ী পরিচয়ে মির্জা আব্বাসের বড় বিনিয়োগ ব্যাংকিং খাতে। তাঁর নামে ঢাকা ব্যাংকের ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে। বিও অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগের পরিমাণ ৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামেও ঢাকা ব্যাংকের ৩১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে।

যানবাহন, অলংকার ও আগ্নেয়াস্ত্র

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মির্জা আব্বাসের দুটি গাড়ির মূল্য ২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অলংকার বাবদ নিজের নামে ৩০ লাখ এবং স্ত্রীর নামে ২২ লাখ টাকার স্বর্ণের তথ্য রয়েছে।
এ ছাড়া তাঁর নিজের নামে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র (মূল্য ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং স্ত্রীর নামে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র (মূল্য ২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা) রয়েছে। ঘরে থাকা আসবাবপত্রের মূল্য ২০ লাখ টাকা এবং ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ২২ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।

জমি ও ফ্ল্যাট

মির্জা আব্বাস হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর কোনো কৃষিজমি নেই। তবে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকার অকৃষি জমি এবং যৌথ মালিকানায় ৯৪ লাখ ৮১ হাজার টাকার জমি রয়েছে। উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ৬ হাজার ১০৬ বর্গফুটের একটি ভবন, ৬টি ফ্ল্যাট, ২টি পার্কিং এবং একটি ভবনের ৮ হাজার ৩০ বর্গফুট ফ্লোর স্পেসের মালিক।

আয় ও আয়কর

হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ টাকা। এর বিপরীতে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬০২ টাকা।

স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদ

স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাসের মোট সম্পদ ৬৬ কোটি ৬৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৬ কোটি ৮১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
মেয়ে নাবিলা মির্জার মোট সম্পদ ৬ কোটি ৪২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং বার্ষিক আয় ৪৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

ঋণ ও মামলা

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যাংকে মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রীর নামে মোট প্রায় ২৫ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। তবে কোনো সরকারি পাওনা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক উল্লেখ করা এই নেতার বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৩২টির মতো মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২১৩