বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে, আর তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেই স্পষ্ট বার্তাই বহন করে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু বিএনপির জন্য নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবেই তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে দেখছে বিএনপি।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এরপর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও প্রটোকলের মধ্যে বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশে রওনা হন।
এই যাত্রাপথে রাস্তার দুই পাশে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য হাজারো মানুষ ভিড় করেন। কেউ এসেছিলেন কৌতূহল নিয়ে, কেউ আবার তাঁর প্রত্যাবর্তনের এই স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হতে। ফলে বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে সৃষ্টি হয় জনসমাগমের দৃশ্য।