এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, বুলেট দিয়ে কখনো মুক্তির লড়াই বন্ধ করা যায় না। ইতিহাস তার প্রমাণ দেয়। এর আগেও এই লড়াইয়ে শতশত মানুষ জীবন দিয়েছেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ছিল তেমনি এক ভয়াবহ ও বেদনাবিধুর দিন। সেই ইতিহাস থেকেই শত্রুদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী সমাধিস্থলে এবি পার্টির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “আমাদের দায়িত্ব এই মুক্তির লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আজাদীর লড়াইয়ে কোনো দাড়ি নেই, আছে কেবল কমা। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই লড়াই একই ধারাবাহিকতার অংশ।”
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এখানেই শেষ হয়ে যায়নি বলেই বাংলাদেশকে বারবার রক্ত দিতে হয়েছে। বিজয়ের মাসে দাঁড়িয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, হাজার বছরের মুক্তির লড়াইয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের দায়িত্বও আমাদের কাঁধে বর্তেছে।
সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এই চলমান মুক্তির লড়াইয়ের সম্মুখ সারীর একজন যোদ্ধা হিসেবে শরীফ ওসমান হাদিকে টার্গেট করে গুলি করা হয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে দমিয়ে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, “আজকের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত থাকা।”
এ সময় এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ওহাব মিনার, ভাইস চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হেলাল উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল ও আলতাফ হোসাইনসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—শক্তি দিয়ে আদর্শকে দমন করা যায় না। মুক্তির লড়াই থামানো সম্ভব নয়; এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এগিয়ে চলে।